
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় চিকিৎসাধীন ইকবাল মিয়া (৬০) মৃত্যুতে স্বঘোষিত শিল্পপতি, দুবাই প্রবাসী, স্থানীয় চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী আলেক ওরফে আতিকুর রহমান শিশু ও ৯ জনসহ অজ্ঞাত একাধিক ব্যক্তির নামে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১২ জুন) রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত ইকবাল হোসেন উপজেলার টিয়ারা গ্রামের মুন্সি বাড়ির মৃত আবুল খায়েরের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
রাতেই নিহতের ভাই ফোরকান মিয়া বাদী হয়ে এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের নেতা প্রভাবশালী শিশু মিয়াকে প্রধান আসামি ও ৯ জনের নাম উল্লেখসহ ২৫/৩০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন।
জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে টিয়ারা গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন এবং প্রভাবশালী আতিকুর রহমান ওরফে শিশু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরে গত ১ জুন সোমবার রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্য বাছির মিয়ার বাড়িতে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথম সংঘর্ষ হয়।
এর জের ধরে পরদিন ২ জুন মঙ্গলবার সকালে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে টিয়ারা বাজারে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় বাজারে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। তাদের মধ্যে আবুল হোসেন পক্ষের ইকবাল মিয়া (৬০) গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে আলেক ওরফে আতিকুর রহমান শিশু মিয়াপন্থীদের দাবি, মৃত ইকবাল মিয়া সংঘর্ষের সাথে জড়িত নন। তার স্বাভাবিক মৃত্যুকে সংঘর্ষে মৃত্যু বলে চক্রান্ত করা হচ্ছে।








