বুধবার ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

“সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্বাচনি প্রচারে দিতে হবে আইডি ও ব্যয়ের হিসাব”

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

Rising Cumilla - Social media AND selection
সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্বাচনি প্রচার/ছবি: সংগৃহীত/কোলাজ রাইজিং কুমিল্লা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালনের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

এখন থেকে ফেসবুক, ইউটিউব বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার চালাতে হলে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্ট বা পেজের তথ্য আগেভাগেই রিটার্নিং অফিসারকে জানাতে হবে। সেসঙ্গে এই খাতে ব্যয়ের হিসাবও নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, এ বিষয়ে একটি চিঠি দেশের সব রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬ অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী, তার নির্বাচনী এজেন্ট কিংবা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে কিছু শর্ত অনুসরণ করতে হবে।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর আগে প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্টকে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইল আইডিসহ অন্যান্য শনাক্তকরণ তথ্য রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে।

এছাড়া রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ২২-এর (২) অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারের জন্য যে ব্যয় হবে তা নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ হিসেবে গণ্য হবে। এর মধ্যে কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন প্রদান, বুস্টিং এবং স্পন্সরশিপসহ সব ধরনের প্রচারণা ব্যয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এসব ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে দাখিল করতে হবে।

বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার সব ব্যয় নির্বাচনী ব্যয়ের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে তা রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এ অবস্থায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালায় উল্লেখিত নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা কোন কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছেন—সেসব তথ্য সংগ্রহ করে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় পাঠানোর জন্য।

আরও পড়ুন