
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট নিবন্ধনের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা বর্তমানে অনলাইন নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত ১৯ নভেম্বর থেকে পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের নিবন্ধন শুরু হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, নানা জটিলতার কারণে নিবন্ধনের সময়সীমা আরও পাঁচ দিন বাড়ানো হয়েছে। আজ সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে ইসির ওয়েবসাইট থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
‘পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপ’ চালুর প্রথম ধাপে, গতকাল রোববার (২৩ নভেম্বর) বিকেল পর্যন্ত ৩৪টি দেশের ১৭ হাজারেরও বেশি ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। তালিকাভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
তবে আজ, সোমবার (২৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টা পর্যন্ত, মোট নিবন্ধিত প্রবাসীর সংখ্যা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৭৫০ জনের বেশি। এর মধ্যে শুধু দক্ষিণ কোরিয়ার প্রবাসীরাই ৮ হাজারের বেশি নিবন্ধন করেছেন, যা একক দেশ হিসেবে সর্বোচ্চ।
প্রথম ধাপ শুরু ১৯ নভেম্বর পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং আফ্রিকায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিবন্ধন শুরু হয়েছে এবং তা চলবে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত।
দ্বিতীয় ধাপ শুরু ২৪ নভেম্বর গতকাল ২৩ নভেম্বর রাত ১২টার পরপর অর্থাৎ ২৪ নভেম্বর থেকে উত্তর আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশিদের নিবন্ধন শুরু হয়েছে, যা একই সময় অর্থাৎ ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।
দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবাসীরা অনলাইনে নিবন্ধনে নিজেদের তথ্য যাচাই করে নিশ্চিত হতে একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন। পাশাপাশি, কোরিয়ার বিভিন্ন কমিউনিটিগুলোও নিবন্ধনে সহযোগিতা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ফলে প্রবাসীদের মধ্যে এক নতুন উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই জানাচ্ছেন, জীবনে প্রথমবারের মতো ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে তারা গর্বিত। বিদেশে থেকেই ভোট দেওয়ার এই সুযোগকে তারা একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।
এই আনন্দের মাঝেও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে নিবন্ধনে অংশ নেওয়া প্রবাসীদের একটি বড় অংশ ‘ওটিপি জটিলতায়’ পড়ছেন। প্রবাসীদের অভিযোগ, নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় মোবাইল নম্বরে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) না আসার কারণে অনেকে এখনও নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারছেন না।
ওটিপি না আসার বিষয়টিকে নির্বাচন কমিশনের হেল্প সেন্টার টেকনিক্যাল ইস্যু বলে জানিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের হেল্প সেন্টার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,”ওটিপি না আসাটি একটি টেকনিক্যাল ইস্যু। এটা নিয়ে কাজ চলছে। আশা করি আজকের (২৪ নভেম্বর) মধ্যে এটার সমাধান হয়ে যাবে।”








