
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) কক্সবাজারে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক সভায় তিনি আগাম এই তথ্য জানান। এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন, আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হবে।
সভায় কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, পরিপত্রে যৌথবাহিনীর অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। এরই মধ্যে সকল বাহিনী প্রধানকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব হেডকোয়ার্টার অবগত রয়েছে।
তিনি বলেন, এখন থেকে সারা দেশে যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু হবে। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য থাকবে তিনটি।
প্রথমত, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার। নির্বাচন সামনে রেখে যেসব অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ রয়েছে, সেগুলো উদ্ধার করা হবে। যেগুলো উদ্ধার করা সম্ভব না, সেগুলো যেন কোনো ধরনের অপকর্মে ব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দ্বিতীয়ত, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা। নির্বাচনকালীন সময়ে যাতে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংঘটিত না হয়, সেজন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
তৃতীয়ত, নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি তদারকি। কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, আচরণবিধির বড় ধরনের কোনো ব্যত্যয় ঘটলে যৌথবাহিনী তা দেখবে। তবে ছোটখাটো ব্যত্যয়ের বিষয়গুলো রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটিগুলো দেখবে।
এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষভাবে সতর্ক করেন তিনি। বলেন, ক্যাম্পগুলো সিল করে দিতে হবে। একই সঙ্গে স্থল সীমান্ত ও সাগরপথে নজরদারি আরও জোরদার করতে হবে, যাতে কোনোভাবেই দুষ্কৃতিকারীরা এসব পথ ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে।









