
অবশেষে শপথ গ্রহণ করলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।
আজ দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে জাতীয় সংসদ ভবন-এ এই শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন।
এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই জামায়াতের নেতারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও দ্বিতীয় ধাপে শপথ গ্রহণ করেন। তবে দ্বিতীয় শপথ শুরুর আগে স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানাসহ কয়েকজন সদস্যকে সভাকক্ষ ত্যাগ করতে দেখা যায়।
এর আগে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা এমপি হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। ফলে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শপথ গ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়।
আজ দুপুর ১২টায় শপথ নেওয়ার কথা থাকলেও জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের কারণে অনুষ্ঠান কিছুটা বিলম্বিত হয়।
জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে তারা শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এর আগে সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কক্সবাজার-১ আসনের বিএনপির নির্বাচিত সাংসদ সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন,
‘আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। জাতীয় সংসদে বিষয়টি সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হলে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া যাবে।’
বিএনপির এই অবস্থানের পর জামায়াত জোটের ভেতরে শপথ গ্রহণ নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত জামায়াতের সংসদ সদস্যরা এমপি ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য—উভয় পরিচয়েই শপথ গ্রহণ করেন।








