
ঢাকা–চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়কে ৩টি আন্ডারপাস নির্মাণ, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড ইন্টারসেকশনে ইউ-লুপ নির্মাণ এবং কুমিল্লা অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে সড়ক ভবনের প্রধান কার্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলীর কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে বিদ্যমান রেল ওভারপাস বর্ধিতকরণ করে কুমিল্লা–নোয়াখালী সড়কে ব্যারিকেড অপসারণের মাধ্যমে সরাসরি যান চলাচল নিশ্চিতকরণ, কুমিল্লা–নোয়াখালী মহাসড়কের বাগমারা ও শানিচোঁ এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ দ্রুত প্রদান এবং নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এছাড়া ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের আলেখারচর থেকে মিয়াবাজার পর্যন্ত আরও কয়েকটি আন্ডারপাস নির্মাণের সম্ভাব্যতা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়েও সভায় পর্যালোচনা করা হয়।
সভায় মুখ্য উপস্থাপক হিসেবে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী প্রকল্পগুলোর প্রয়োজনীয়তা, জনস্বার্থ, নকশা এবং দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিস্তারিত দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
তিনি পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের দীর্ঘদিনের যানজট ও দুর্ঘটনা নিরসন, কুমিল্লা–নোয়াখালী মহাসড়কে নির্বিঘ্ন যান চলাচল নিশ্চিতকরণ এবং ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় প্রকল্পের কারিগরি ও অফিসিয়াল প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ), কুমিল্লা।
সভায় উপস্থিত সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি, সম্ভাব্য সময়সূচি এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন।
আলোচনায় ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ দ্রুত পরিশোধ, অবশিষ্ট অবকাঠামোগত জটিলতা নিরসন এবং জনদুর্ভোগ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় সংশ্লিষ্টরা জানান, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কুমিল্লাসহ আশপাশের অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও নিরাপদ, আধুনিক ও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে কয়েক লাখ মানুষের যাতায়াত সহজ, দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।










