
জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়ন করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আগামী পাঁচ বছরে দেশের চার কোটি পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণ ও দেশের জন্য কাজ করবে—এমন সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। একই সঙ্গে আগামী মাসের মধ্যেই ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি।
নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো সরকার ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করবে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি বর্তমান পরিস্থিতি ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
কর্মসূচির আওতায় পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারের জন্য একটি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। তবে যৌথ বা একান্নবর্তী পরিবারের সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এ বিষয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন জানান, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন পর্যন্ত সময়ের জন্য মোট ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এর মধ্যে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা (৬৬.০৬ শতাংশ) সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে। বাকি ১২ কোটি ৯২ লাখ টাকা (৩৩.৯৪ শতাংশ) কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য তথ্য সংগ্রহ, অনলাইন সিস্টেম প্রণয়ন, কার্ড প্রস্তুতিসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে ব্যয় করা হবে।







