
মৌসুমের শুরুতেই ছন্দে আছে চেলসি। প্রিমিয়ার লিগের ১১ ম্যাচ শেষে দলটি এখন পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে, শীর্ষে থাকা আর্সেনালের চেয়ে মাত্র ছয় পয়েন্ট পিছিয়ে। কারাবাও কাপের কোয়ার্টার ফাইনালেও নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে ব্লুজরা। তবে এই সাফল্যের মাঝে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছেন চেলসির তরুণ ফরোয়ার্ড, ব্রাজিলিয়ান তারকা এস্তেভাও।
সাবেক ইংলিশ ফুটবলার ও জনপ্রিয় ফুটবল বিশ্লেষক ট্রয় ডিনি মনে করেন, এস্তেভাওয়ের ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল। তিনি এই ১৮ বছর বয়সী উইঙ্গারকে ভবিষ্যতে ‘দানবের মতো’ হয়ে উঠতে দেখছেন। ডিনির মতে, দলে আক্রমণভাগে থাকা অন্যান্য প্রতিভাবান খেলোয়াড়, যেমন জেমি গিটেন্স, আলেহান্দ্রো গারনাচো, এমনকি গ্রীষ্মে দলে আসা জোয়াও পেদ্রোর চেয়েও এস্তেভাও গুণগত মানে এগিয়ে।
ডিনি বলেন, “ক্লাব বিশ্বকাপে যখন সে (এস্তেভাও) খেলল, তখন আমরা ক্লেবারসনের সঙ্গে একটা শো করছিলাম। সে তখনই বলেছিল— ‘এই ছেলেটাই পরের নেইমার।’ বড় একটা মন্তব্য ছিল, কিন্তু সেটা শুধু কোনো দক্ষিণ আমেরিকান খেলোয়াড়কে বড় করে দেখানোর জন্য নয়। ওই সময় থেকেই ওকে নজরে রেখেছি। সে অসাধারণ খেলছে।”
গ্রীষ্মকালীন দলবদলে কোচ এনজো মারেস্কা চেলসির আক্রমণভাগে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছিলেন। জোয়াও পেদ্রো, লিয়াম ডেলাপ, জেমি গিটেন্স ও আলেহান্দ্রো গারনাচো—এরকম বেশ কয়েকজন প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে দলে টানা হলেও, ১৮ বছর বয়সী এস্তেভাও সবার নজর কেড়েছেন।
সাবেক পালমেইরাস উইঙ্গার ক্লাব বিশ্বকাপে নজরকাড়া পারফরম্যান্স দেখানোর পর স্ট্যামফোর্ড ব্রিজেও নিজের দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখেছেন। চেলসির জার্সিতে প্রথম ১৬ ম্যাচে তার গোলসংখ্যা চারটি, আর অ্যাসিস্ট একটি। মোট পাঁচটি গোলে সরাসরি অবদান রেখে এস্তেভাও এখন চেলসির উইঙ্গারদের মধ্যে পেদ্রো নেতোর সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে। যদিও পর্তুগিজ তারকা নেতোর ম্যাচ খেলার সংখ্যা এস্তেভাওয়ের চেয়ে বেশি।
গিটেন্স, গারনাচো ও টাইরিক জর্জের প্রত্যেকের অবদান চারটি করে হলেও, ডিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে এস্তেভাওয়ের উচ্চমানের খেলা স্পর্শ করা তাদের জন্য কঠিন হবে। আন্তর্জাতিক বিরতি শেষে আগামী ২২ নভেম্বর বার্নলির মাঠে নামবে চেলসি।










