রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

Rising Cumilla -Madrasa teacher in Chauddagram, Comilla, accused of kidnapping student, police launch investigation
প্রতীকী ছবি/সংগৃহীত

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে একটি মহিলা আলিম মাদ্রাসার ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক অপহরণের অভিযোগ উঠেছে একই প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ছাত্রীর মা বাদী হয়ে শনিবার (২০ জুন) রাতে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক আলমগীর হোসেন উপজেলার গোপালনগর মহিলা আলিম মাদ্রাসার নুরানি বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রী উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং গোপালনগর মহিলা আলিম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষক আলমগীর হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসায় যাতায়াতের পথে ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি পরিবারকে জানালে ছাত্রীর মা মাদ্রাসার অন্য দুই শিক্ষক ফজলুল হক ও খায়েরুল ইসলামের কাছে মৌখিকভাবে বিচার চান।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মা-মেয়েকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিদিনের মতো ছাত্রীটি মাদ্রাসার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু দিন শেষে বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। আত্মীয়-স্বজন ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে স্থানীয়দের কাছ থেকে পরিবার জানতে পারে, বৃহস্পতিবার সকালে মাদ্রাসার সামনের এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যান অভিযুক্ত শিক্ষক আলমগীর হোসেন।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, “মাদ্রাসাছাত্রী নিখোঁজ বা অপহরণের বিষয়ে তার মায়ের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ছাত্রীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং নিখোঁজ ছাত্রীর সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন