
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সারা দেশে সম্ভাব্য যানজটের ২০৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশ। গত বছর যেখানে এমন স্পটের সংখ্যা ছিল ১৫৯টি, সেখানে এ বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৭-এ।ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত এক সভার কার্যপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলনকক্ষে ঈদযাত্রা নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বৈঠক শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
সভায় জানানো হয়, ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে এসব যানজটপ্রবণ স্পটকে বিশেষ মনিটরিংয়ের আওতায় রাখা হবে, যাতে যাত্রীদের যাতায়াতে ভোগান্তি কমানো যায়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, চিহ্নিত ২০৭টি স্পটের মধ্যে— ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪৫টি, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে রয়েছে ১৪টি, ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ৫৫টি, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ২১টি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ৪৩টি, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ৯টি, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ১৪টি ও যশোর-খুলনা মহাসড়কে ৬টি স্পট রয়েছে।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বৈঠকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাজধানীর পাঁচটি বাস টার্মিনালে সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি জোরদার করা হবে এবং প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
এ ছাড়া পদ্মা সেতু, যমুনা সেতু এবং কর্ণফুলী টানেলে ইটিসি (ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন) বুথ চালু থাকবে।
ঈদযাত্রায় যানজট কমাতে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মহাসড়কে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নদীপথে যাত্রী পারাপার নির্বিঘ্ন রাখতে পর্যাপ্ত ফেরির ব্যবস্থা রাখা হবে। পাশাপাশি রাজধানীর কাঞ্চন ব্রিজ ও বছিলা এলাকায় লঞ্চ চলাচলের ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিমন্ত্রী, বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাসহ পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।








