বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাইজিং কুমিল্লা প্রতিবেদক

Rising Cumilla - Prime Minister Tarique Rahman at the inauguration of Amar Ekushey Book Fair 2026
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় তিনি বইমেলা প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে অংশ নেন।

‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ থেকে শুরু হলো অমর একুশে বইমেলা ২০২৬। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ প্রদান করবেন।

এর আগে বেলা ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে গুণীজনদের হাতে রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই পদক শুধু একটি সম্মাননা নয়; বরং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো স্মরণ করার এক অনন্য মাধ্যম। একইসঙ্গে শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় অবদান রাখা গুণীজনদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের পরিচয় করিয়ে দেয় এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।

জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্যের চর্চা আরও বিকশিত হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সরকারপ্রধান বলেন, শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প-সাহিত্যের উন্নয়নে রাষ্ট্র ও সরকার তাদের দায়িত্ব পালন করবে। তবে এসব ক্ষেত্রকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের লক্ষণ হতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় দেশকে এগিয়ে নিতে নৈতিক মানসম্পন্ন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার কাজ করছে।

জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রতীক এবং সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ এই দিনটির মধ্যেই নিহিত। মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের পাশাপাশি এটি ছিল জুলুমের বিরুদ্ধে অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় অনুধাবনের মাস, শেকড় সন্ধানের মাস।

ভাষা শহিদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, জ্ঞানী-গুণীদের কর্মময় জীবনের সঙ্গে সাধারণ মানুষের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব। ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি দোয়া করেন, আল্লাহ যেন তাদের মৃত্যুকে শহীদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করেন।

আরও পড়ুন