সোমবার ৩ আগস্ট, ২০২৬

অডিট রিপোর্ট না দেওয়া দলগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

Rising Cumilla - Election commission
নির্বাচন কমিশন/ছবি: রাইজিং কুমিল্লা সম্পাদিত

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অডিট রিপোর্ট জমা না দেওয়া নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।

সোমবার (৩ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। তবে ওইদিন সরকারি ছুটি থাকায় সময় বাড়িয়ে ২ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়।

ইসি সচিব জানান, বর্তমানে ৫৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি দলের নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে। বাকি ৫৮টি সক্রিয় দলের মধ্যে ৩৮টি দল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ১৩টি দল সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে। তবে ৮টি দল কোনো ধরনের সাড়া দেয়নি। এসব দলকে আইন অনুযায়ী নোটিশ দেওয়া হবে এবং পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে বিদ্যমান আইন সংশোধনের জন্য কয়েকটি প্রস্তাব প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞা আরও স্পষ্ট করা, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপি সংক্রান্ত বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব সুপারিশ স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে।

নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে আখতার আহমেদ বলেন, একটি জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য আইন ও বিধিমালা প্রস্তুত, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ—এই তিনটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তফসিল ঘোষণার পর ভোটগ্রহণ পর্যন্ত সাধারণত ৪৫ দিনের সময় প্রয়োজন হয়। এছাড়া ভোটার তালিকা চূড়ান্ত ও মুদ্রণের জন্য আরও প্রায় দেড় মাস সময় লাগে। সব মিলিয়ে একটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রায় তিন মাসের প্রস্তুতি সময় প্রয়োজন হয়।

ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ চলছে। প্রয়োজনে নির্বাচনের আগে সম্পূরক ভোটার তালিকাও প্রকাশ করা যেতে পারে।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে ইসি সচিব জানান, বিভিন্ন বিধিমালা নিয়ে দলগুলোর মতামত ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে। আপাতত নতুন করে কোনো সংলাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়নি।

আরও পড়ুন