
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, যারা একাত্তরে দেশের স্বাধীনতা চায়নি এবং শত্রু হিসেবে চিহ্নিত ছিল, স্বাধীনতার পর তারা রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে সাধারণ ক্ষমার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু সেই সাধারণ ক্ষমাকে তারা সম্মান না জানিয়ে বরং অবমূল্যায়ন করেছে। সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী কখনো তারা আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে, আবার কখনো আওয়ামী লীগবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের ঝুমুর এলাকার বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন, যদি তিনি মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব না দিতেন এবং রণাঙ্গনে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ না করতেন, তাহলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আজও প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যেতে পারত।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য তিনি সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তার শাহাদাতের পর দেশনেত্রী খালেদা জিয়া কোনো আপোষ না করে দৃঢ় নেতৃত্বে দেশের হাল ধরেন। তিনি পরপর তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন জনপ্রিয় রাষ্ট্রপতি এবং খালেদা জিয়া ছিলেন জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, সদর উপজেলা (পূর্ব) বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ এমরানসহ জেলা ও বিভিন্ন ইউনিটের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।









