
পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে না হতেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের বিভিন্ন বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে। ইফতার ও সেহরির জন্য প্রয়োজনীয় খাবারগুলোর দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা সরবরাহ সংকটের কথা বললেও ভোক্তাদের অভিযোগ, এটি পরিকল্পিত মূল্যবৃদ্ধির কারসাজি।
রমজানে ইফতারের জন্য সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে ছোলা, ডাল, চিনি, মসলা ও ফলমূলের। সরাইল সদরের ছোট-বড় বাজার গুলোতে ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতাদের ছোলার কেজি ১০-১৫ টাকা, চিনি কেজিতে ৫-১০ টাকা ও ভোজ্যতেলের দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে। তবে ডাল ও মসলার দাম আগের মতোই রয়েছে।
এদিকে ফলের বাজারেও চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। আপেল ৩০০-৩৫০ টাকা, মাল্টা ২৮০-৩০০ টাকা, পেয়ারা ৮০-১০০ টাকা, আর তরমুজ আকারভেদে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।
এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রমজান আসলেই ব্যবসায়ীরা মুনাফার ধান্দায় নেমে পড়েন। সাধারণ মানুষের কথা কেউ ভাবে না।”
খুচরা ব্যবসায়ীদের দাবি, পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও দাম বেড়েছে। তবে ক্রেতারা মনে করেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছেন।
বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মোশারফ হোসাইন। তিনি বলেন, “রমজানে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে। কেউ অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়ালে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তবে স্থানীয়রা মনে করেন, বাজারে নিয়মিত মনিটরিং না থাকলে রমজানজুড়ে নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে।










