মঙ্গলবার ৩ মার্চ, ২০২৬

শীতলকে ৩০ ঘণ্টা যন্ত্রণা সহ্য করতে দেখেছি: বিক্রান্ত ম্যাসি

বিনোদন ডেস্ক

Rising Cumilla - Vikrant Massey and Sheetal Thakur
বিক্রান্ত ম্যাসি ও শীতল ঠাকুর I ছবি: শীতলের ইনস্টাগ্রাম থেকে

বলিউডের পর্দায় যিনি বরাবরই তীব্র, সংযত ও টানটান অভিনয়ের জন্য পরিচিত—বাস্তব জীবনে সেই মানুষটিই আবেগের এক নরম বাঁকে দাঁড়িয়ে। বাবা হওয়ার পর যেন পুরো পৃথিবীটাই নতুনভাবে আবিষ্কার করছেন বিক্রান্ত ম্যাসি।

২০২৪ সালে স্ত্রী শীতল ঠাকুর-এর কোলে জন্ম নেয় তাদের প্রথম সন্তান ‘বরদান’। আর সেই মুহূর্ত থেকেই বদলে যেতে শুরু করে বিক্রান্তের জীবনের প্রতিটি অনুভব। সন্তানের হাসি, রাতভর জেগে থাকার দায়িত্ব, নতুন বাবার অজানা ভয় ও উৎকণ্ঠা—সব মিলিয়ে নিজেকেই নতুন করে চিনছেন এই অভিনেতা।

সম্প্রতি এক খোলামেলা সাক্ষাৎকারে বিক্রান্ত বাবা হওয়ার পরের সেই অদেখা অনুভূতিগুলোর কথা উঠে এসেছে, যা তার অভিনয় বাইরেও এক গভীর মানবিক গল্পের মতোই মনে হয়।

ভারতীয় এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে বিক্রান্ত খোলাখুলি স্বীকার করেন—বাবা যতটাই সন্তানের সঙ্গে আত্মিকভাবে যুক্ত থাকুক না কেন, একজন মায়ের ভূমিকা সত্যিই তুলনাহীন। এই উপলব্ধি তার হয়েছে শীতলকে ৩০ ঘণ্টা ধরে টানা প্রসবযন্ত্রণা সহ্য করতে দেখার পর।

এই প্রসঙ্গ টানতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ‘টুয়েলফথ ফেল’-খ্যাত এই অভিনেতা। বিক্রান্ত বলেন,
“আমি শীতলকে ১০ বছর ধরে চিনি। সেই ছোট মেয়েটাকে গর্ভাবস্থার সময় দেখেছি। তার পেট দিন দিন বড় হতে দেখেছি। কিন্তু টানা ৩০ ঘণ্টা ধরে প্রসবযন্ত্রণা সহ্য করা—সত্যিই মেয়েরা অনেক কিছু সহ্য করে।”

একটি পরিবার গড়ার স্বপ্ন বিক্রান্ত বরাবরই দেখতেন বলে জানান তিনি। আর শীতলের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর সেই স্বপ্নই ধীরে ধীরে বাস্তবে রূপ নেয়। বিক্রান্তের ভাষায়, জীবনে সঠিক সঙ্গী খুঁজে পাওয়ার পর আর কখনোই তার মনে ‘কমিটমেন্ট ফোবিয়া’ কাজ করেনি।

উল্লেখ্য, বিক্রান্ত ম্যাসি ও শীতল ঠাকুর একে অপরকে চেনেন ২০১৫ সাল থেকে। দীর্ঘ দিনের প্রেমের পর ২০২২ সালের ভ্যালেন্টাইনস ডে সপ্তাহে, ১৫ ফেব্রুয়ারি তাদের আইনি বিয়ে সম্পন্ন হয়। এর তিন দিন পরই সামাজিক রীতি মেনে সাত পাকে বাঁধা পড়েন এই জনপ্রিয় তারকা জুটি।

আরও পড়ুন