
রাজধানীর ঢাকা-১৭ আসনের গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরিবারসহ ভোট দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে তিনি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষ এই দিনের অপেক্ষায় ছিলেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।
গত রাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ও কঠোরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে, যা তার কাছে আশাব্যঞ্জক বলে মনে হয়েছে।
ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করে ভোট প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করার জন্য। তার ভাষায়, “মানুষ যদি সারাদিন ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের অধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ যে কোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।”
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, তিনি এবং তার দল জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী।
সম্ভাব্য সরকার গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই হবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। “সাধারণ মানুষ যাতে দেশে নিরাপদ বোধ করেন, সেটিই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য,” যোগ করেন তিনি।
নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী নারীর মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়নের কাজ প্রথম দিন থেকেই শুরু করা হবে।
ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি তাৎক্ষণিক মন্তব্য করা সমীচীন হবে না বলে জানান। আরও কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণের পর এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর ও স্থিতিশীল আগামীর প্রত্যাশা জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন তারেক রহমান।








