
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও দলের যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, “ছাত্র রাজনীতি করতে গিয়ে বহু জেল খেটেছি। আমার কপালে গুলি করা হয়েছে। আমার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। আমার দুই ছেলের ওপর অত্যাচার করা হয়েছে। পুলিশ আমার ওপর হামলা করেছে। বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে মারধর করতে করতে থানায় নিয়ে গেছে। এরপরও আমি মাথানত করিনি। আমি অন্যায়ের কাছে মাথানত করার মানুষ নই।”
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে নারী ভোটারদের নিয়ে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে আমাদের দামাল ছেলেদের যুদ্ধ করতে হয়েছে। এই যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। রেডিওতে জাতির উদ্দেশে ঘোষণা দিয়ে বলেছিলেন—যার যা কিছু হাতে আছে, সবাই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। আমরা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকব। তাঁর নেতৃত্বেই যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “জিয়াউর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের নেতা, মুক্তিযোদ্ধাদের নেতা। তিনি রণাঙ্গনে অস্ত্র হাতে বাংলার দামাল ছেলেদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশ-বিদেশে তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয় এক নেতা।”
বিদেশে বিএনপি নেতাদের গ্রহণযোগ্যতার প্রসঙ্গ টেনে এ্যানি বলেন, “সৌদি আরবে লোকজন জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার নামে সুনাম করেন। আর শেখ হাসিনাকে ‘কাজ্জাব’ অর্থাৎ মিথ্যাবাদী বলে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন মুসলিম উম্মাহর নেতা। খালেদা জিয়াকে তারা ভালো মানুষ হিসেবেই চেনেন।”
উঠান বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য হাফিজুর রহমান ও আবুল হাশেম, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মো. এমরান, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা আক্তার সুমি ভূঁইয়া,সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।









