
উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-কে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কাতারের পক্ষ থেকে পাঠানো একটি বিশেষায়িত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে আজ মধ্যরাতে তিনি রওনা হতে পারেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চিকিৎসক ডা. জাহিদ হোসেন।
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকবেন মোট ১৪ জন, এর মধ্যে রয়েছেন ৭ জন চিকিৎসক।
সফরসঙ্গীদের তালিকায় রয়েছেন—
পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান, ডা. জাহিদ হোসেন, ডা. এনামুল হক চৌধুরী (চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা), ডা. ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ সিদ্দিকী, ডা. সাহাবুদ্দিন তালুকদার, ডা. নুরুদ্দিন আহমেদ, ডা. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল, ডা. মোহাম্মদ আল মামুন, হাসান শাহরিয়ার ইকবাল (এসএসএফ), সৈয়দ সামিন মাহফুজ (এসএসএফ), আব্দুল হাই মল্লিক (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহকারী), মাসুদের রহমান (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রাইভেট সেক্রেটারি), ফাতেমা বেগম ও রুপা শিকদার (গৃহকর্মী)।
বর্তমানে ‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’ অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন খালেদা জিয়া। গত ১২ দিন ধরে তিনি এই হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এর মধ্যে টানা ৮ দিন করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, তার শারীরিক অবস্থার তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে চিকিৎসকদের ডাকে তিনি সাড়া দিচ্ছেন। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে তার চিকিৎসা চলছে।
মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক বুধবার রাতে জানান, ফুসফুসে স্বাভাবিকভাবে বাতাস চলাচল নিশ্চিত করতে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশনের সহায়তায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কিডনির কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার জন্য বুধবার বিকালেও তার ডায়ালাইসিস করা হয়েছে।
খালেদা জিয়া গত ২৩ নভেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ২৭ নভেম্বর থেকে তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।









