
সিটি ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেন সেবার মান আরও উন্নত করতে নতুন সুইফট পরিকাঠামো গ্রহণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। এর মাধ্যমে ব্যক্তি গ্রাহক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য আন্তর্জাতিক অর্থ প্রেরণ ও গ্রহণ প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য হবে।
আজ সোমবার সিটি ব্যাংক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ‘তাৎক্ষণিক বৈশ্বিক অর্থপ্রদান পর্যবেক্ষণ (সুইফট জিপিআই)’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন, সুইফট-এর ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক প্রধান কিরণ শেট্টি এবং সুইটের হিসাব পরিচালক (ভারত) ও বাংলাদেশ কান্ট্রি ম্যানেজার অর্পিতা ঘোষসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী ৪০টির বেশি ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয়ে সিটি ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য পূর্ণ অর্থ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা, কোনো প্রকার গোপন চার্জ ব্যতিরেকে লেনদেন সম্পাদন এবং সর্বোচ্চ দ্রুততার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। সুইফট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রবর্তিত এ কাঠামো ২০২৬ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।
উল্লেখ্য, সিটি ব্যাংক ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক লেনদেনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণযোগ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রাহকদের জন্য উন্নত ট্র্যাকিং সুবিধা চালু করেছে। এর ফলে গ্রাহকরা তাদের প্রেরিত অর্থের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে অবগত হতে পারবেন, যা লেনদেনে স্বচ্ছতা ও আস্থার মাত্রা বাড়াবে।
সিটি ব্যাংক জানায়, বিদেশে শিক্ষা, চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের উদ্দেশ্যে অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে তাদের গ্রাহকরা এ পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে তাদের লেনদেন পর্যবেক্ষণ করতে সক্ষম হবেন। একই সঙ্গে প্রক্রিয়াগত উন্নয়ন ও স্বয়ংক্রিয় ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উপকারভোগীদের নিকট দ্রুততম সময়ে অর্থ পৌঁছানো নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ সব উদ্যোগ গ্রাহক সন্তুষ্টি বৃদ্ধির প্রতি ব্যাংকের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।
সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসরুর আরেফিন বলেন, ডিজিটাল যুগে গ্রাহকের প্রত্যাশা; দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি লেনদেনকে শুধু নিরাপদ নয়, বরং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও জবাবদিহিমূলক করা।
এ বিষয়ে সুইফটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক প্রধান (ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া) কিরণ শেট্টি বলেন, আন্তর্জাতিক লেনদেনে গ্রাহকদের সর্বোত্তম অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা ব্যাংকগুলোকে একীভূতভাবে কাজ করতে উৎসাহিত করছি। এই কাঠামো গ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক লেনদেন আরও দ্রুত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ হবে।









