
বাংলাদেশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি। সেই হিসেবে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে পবিত্র রোজা। আরবি শাবান মাসের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে আগামী মার্চ মাসের ২০ অথবা ২১ তারিখে উদযাপিত হতে পারে পবিত্র ঈদুল ফিতর।
রোজার শুরু থেকেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। তবে এবার সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবীরা ঈদে কতদিন ছুটি পাবেন, তা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সরকার অনুমোদিত ২০২৬ সালের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ঈদুল ফিতরে মোট পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ঈদের ছুটির আগে শবে কদর এবং পরে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ছুটি থাকায় মোট ছুটি আরও বাড়তে পারে—এমন সম্ভাবনা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদের সময় অসংখ্য মানুষ রাজধানী ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যান। কাছাকাছি সময়ে বিপুল যাত্রীর চাপের কারণে সড়কপথে দীর্ঘ যানজট ও নানা ভোগান্তি তৈরি হয়। তবে ছুটি দীর্ঘ হলে এই চাপ কিছুটা কমে আসে বলে মনে করেন অনেকেই।
এই বাস্তবতা বিবেচনায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকার নির্বাহী আদেশে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করেছে। ফলে এবারও সরকারি চাকরিজীবীরা কতদিন ছুটি পাবেন, তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে।
সম্ভাব্য ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর ধরে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র শবে কদরের সরকারি ছুটি থাকবে। ১৮ মার্চ (বুধবার) অফিস খোলা থাকবে। এরপর ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদের ছুটি চলবে। ২৪ ও ২৫ মার্চ দুইদিন অফিস খোলা থাকার পর ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) মহান স্বাধীনতা দিবসের ছুটি থাকবে। তারপর ২৭ ও ২৮ মার্চ (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি।
অর্থাৎ, সরকারি চাকরিজীবীরা যদি ২৪ ও ২৫ মার্চ নৈমিত্তিক ছুটি নেন, তাহলে ১৯ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি ভোগ করতে পারবেন। এমনকি ১৮ মার্চ অতিরিক্ত ছুটি নিলে শবে কদর থেকেই শুরু হতে পারে দীর্ঘ অবকাশ।
সরকারি ছুটির সঙ্গে তাল মিলিয়ে অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও ছুটি ঘোষণা করে থাকে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ছুটি নির্ধারণের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভরশীল।







