
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বিটঘর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের পুকুর থেকে ভাসমান খলিল মিয়ার ছেলে আতিক (২০) ও নবীনগর পৌরসভার গোপীনাথপুর ৩ নং ওয়ার্ডের অটোরিকশা চালক বাদল চন্দ্র বর্মনের ছেলে আশিষ চন্দ্র বর্মন (১৬) কে প্রতিবেশির বাড়ির আমগাছের ডালে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে পুলিশ সদস্যরা উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় নবীনগরের সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্ধেগ তৈরি হয়েছে।
বুধবার সকালে ( ০১ এপ্রিল) উদ্ধারকৃত লাশ দুটির মাঝে নিহত আতিকের মৃত্যুকে সন্দেহজনক বলে ধারনা করা হচ্ছে।
নবীনগর থানা পুলিশ জানায়, মরদেহের শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তাকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে রেখেছে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে আতিকুর রহমানকে খুন করে কেউ পুকুরে ফেলে রেখে গেছে। আমরা দুটি লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা মর্গে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত বলা যাবে।”








