
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় কৃষিতে নতুন করে যোগ হয়েছে কুমড়ো জাতীয় সবজি স্কোয়াশের চাষ। স্থানিয় উপজেলা কর্মকর্তাদের পরামর্শে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ হওয়া স্কোয়াশে স্বপ্ন দেখছেন কৃষকরা। নতুন এই সবজিতে ভালো ফলনের পাশাপাশি উৎপাদনেও স্বস্থি মিলছে স্থানিয় কৃষকদের।
এর আগে উপজেলা স্কোয়াশ চাষ না হওয়ায় নতুন এই সবজির প্রতি কৌতুহলও আছে উপজেলা জুড়ে। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের বরাতে জানা যায়, স্কোয়াশ চাষে খরচ পড়ে কম। এক বিঘা জমিতে মাত্র দশ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ষাট দিনের ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার স্কোয়াশ বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। দিন দিন স্কোয়াশ চাষে কৃষকদের আগ্রহের কথা জানান কর্মকর্তারা।
নবীনগর উপজেলাটি ধান চাষের জন্য জনপ্রিয় হলেও উপজেলা কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম লিটনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কৃষি ভিত্তিক উৎপাদন, বিনিয়োগ ও ফসলের নানা দিক নিয়ে প্রচারণা ও কৃষকদের সরজমিনে গিয়ে পরিত্যক্ত ও তিন ফসলি জমিতে নানা জাতের ফসল ফলানোতে আন্তরিকতার প্রচেষ্টার অন্যতম ফসল স্কোয়াশ।
নবীনগর পৌর এলাকার আলমনগর গ্রামের কৃষাণী মুর্শেদা বেগম বলেন, এক কানি ক্ষেতে স্কোয়াশ চাষ করেছি। কুমড়ার মতো দেখতে। ভালো ফসল অইচে।
কৃষক কুদ্দুস মিয়া বলেন, নতুন ফসল কেজি হিসেবে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা বেঁচতে পারি। স্কোয়াশ দেখতে অনেকেই ক্ষেতে আসতেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম লিটন বলেন, উপজেলার উর্বর মাটিতে বিশেষ করে জমির আইল, পরিত্যক্ত জায়গা, তিন ফসলি মাঠেও স্কোয়াশ সবজির আবাদ নবীনগরের কৃষকদেরকে লাভবান করবে। বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে আলমনগর ও ধরাভাঙ্গায় স্কোয়াশ চাষ হচ্ছে। কুমড়োর মতো দেখতে স্কোয়াশের দামও ক্রেতাদের নাগালে। ক্রেতা ও বিক্রেতারা উভয়েই লাভবান হবেন। এছাড়া স্কোয়াশ চাষে খরচও অনেক কম।









