শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নবীনগরে জোড়া খুনের ঘটনায় মামলা, ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন

সঞ্জয় শীল,নবীনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

Rising Cumilla -Human chain formed demanding death penalty for Nabinagar double murder case
নবীনগরে জোড়া খুনের ঘটনায় মামলা, ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন/ছবি: প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দিতে হযরত দয়াল বাবা গণি শাহ (রঃ) এর মাজার সংলগ্ন বাজারের বিশু সাহার হোটেলে নাস্তা খাওয়ার সময় এলোপাথাড়ি গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে জোড়া খুনের ঘটনায় নিহত মো. শিপনের মা আনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১২ জনসহ অজ্ঞাত আরো ১০-১৫ জনের নামে গত মঙ্গলবার (০২ নভেম্বর ২০২৫) মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার আসামীরা হলেন বড়িকান্দি ইউনিয়নের পুরাতন থোল্লাকান্দি গ্রামের মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে এমরান, একিই ইউনিয়নের ধরাভাঙ্গা গ্রামের বারিক মিয়ার ছেলে আবুল কালাম, পুরাতন থোল্লাকান্দি’র মিস্টার মিয়ার ছেলে আরাফাত, নতুন থোল্লাকান্দির রমজান মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়া, ধরাভাঙ্গার মৃত রমজান মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া, পুরাতন থোল্লাকান্দির সহিদ মিয়ার ছেলে শাহাদাৎ হোসেন সোহাগ, বড়িকান্দির মৃত হিরু মিয়ার ছেলে অলি মিয়া, পুরাতন থোল্লাকান্দির সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে তাজুল ইসলাম, ধরাভাঙ্গার সদু মিয়ার ছেলে আব্বাস মিয়া, পুরাতন থোল্লাকান্দির মৃত রোপন মিয়ার ছেলে বশির মিয়া, নুরজাহানপুরের মৃত এমদাদুল হকের ছেলে সানাউল্লাহ, নুরজাহানপুরের খোকা মিয়ার ছেলে শরীফ মিয়া, বড়িকান্দির অলি মিয়ার ছেলে হাসিব মিয়াসহ অজ্ঞাত ১০-১৫জন।

জানা যায়, গত শনিবার (০১ নভেম্বর ২০২৫) রাত ৭ ঘটিকায় বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকাদি হযরত দয়াল বাবা গণি শাহ (রঃ) মাজার সংলগ্ন বাজারের বিশু সাহার দোকানে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত মো. শিপন নাস্তা করার সময় আসামীরা এলোপাথারি গুলি করে। এতে হোটেলের কর্মচারী চরলাপাং গ্রামের রাশেদ মিয়ার ছেলে নুর আলম ও আলমনগর গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে ইয়াসিন ও মো. শিপন গুলিবিদ্ধ হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলিবিদ্ধ মো. শিপন ও ইয়াসিন মারা যান।

পরে বুধবার (০৩ নভেম্বর ২০২৫) সকালে এলাকাবাসীর ব্যানারে নুরজাহানপুর গ্রাম থেকে থোল্লাকান্দি বাজার পর্যন্ত মিছিল শেষে মাজার প্রাঙ্গনে হত্যাকারিদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন।

আরও পড়ুন