সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চাঁদপুর জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ | Sehri Iftar Time Chandpur 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদপুর জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ | Sehri Iftar Time Chandpur 2026

হিজরি বর্ষপঞ্জির নবম মাস পবিত্র রমজান। বিশ্বব্যাপী মুসলমানরা সিয়াম সাধনার এই মহিমান্বিত মাসকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রমজান মাসেই মহান আল্লাহ মানবজাতির জন্য পথনির্দেশনা হিসেবে পবিত্র কুরআন নাজিল করেন নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর ওপর।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তথ্যানুযায়ী, দেশের আকাশে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে বাংলাদেশে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। রমজান মাসজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নিয়মিত সালাত আদায়, সাহরি ও ইফতার এবং সংযম ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে এক মাস সিয়াম পালন করবেন।

চাঁদপুরের রমজানের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি

ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, চাঁদপুর জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ | Sehri Iftar Time Chandpur 2026 জেলায় প্রথম রমজান (১৯ ফেব্রুয়ারি)—

Rising-Cumilla---Sehri-and-Iftar-Schedule-2026-for-Chandpur-District
চাঁদপুর জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ | Sehri Iftar Time Chandpur 2026

সেহরির শেষ সময়: ভোররাত ৫টা ০৭ মিনিট

ইফতারের সময়: সন্ধ্যা ৫টা ৫৪ মিনিট

উল্লেখ্য, সাহরির শেষ সময় সতর্কতামূলকভাবে সুবহে সাদিকের ৩ মিনিট আগে নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ফজরের ওয়াক্ত শুরু ধরা হয়েছে সুবহে সাদিকের ৩ মিনিট পরে। সে অনুযায়ী, সাহরির সতর্কতামূলক শেষ সময়ের ৬ মিনিট পর ফজরের আজান দিতে হবে।

এ ছাড়া সূর্যাস্তের পর সতর্কতামূলকভাবে ৩ মিনিট যোগ করে ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোজার নিয়ত সম্পর্কে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

রোজা পালনে সাহরি ও ইফতারের পাশাপাশি নিয়ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে রোজার ক্ষেত্রে নিয়ত মানে মনের ইচ্ছা বা সংকল্প। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে ঘুম থেকে ওঠা এবং সাহরি খাওয়াই নিয়তের অন্তর্ভুক্ত।

ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী, নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা আবশ্যক নয়। কেউ মুখে নিয়ত না করলেও তার রোজা আদায় হয়ে যায়। (সূত্র: আল-বাহরুর রায়েক : ২/৪৫২; আল-জাওহারুতুন নাইয়্যিরাহ : ১/১৭৬; রাদ্দুল মুহতার : ৩/৩৩৯, ৩৪১; ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ১/১৯৫)

বাংলাদেশে রোজার একটি আরবি নিয়ত প্রচলিত রয়েছে, যা অনেকে মুখে পড়ে থাকেন। যদিও এই নিয়তটি হাদিস বা ফিকাহর কোনো নির্ভরযোগ্য কিতাবে বর্ণিত নয়। তবু কেউ চাইলে তা পড়তে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে, নিয়ত পড়ার চেয়ে নিয়ত করাই মূল বিষয়।

রোজার প্রচলিত আরবি নিয়ত:

نَوَيْتُ اَنْ اُصُوْمَ غَدًا مِّنْ شَهْرِ رَمْضَانَ الْمُبَارَكِ فَرْضَا لَكَ يَا اللهُ فَتَقَبَّل مِنِّى اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْم

বাংলা উচ্চারণ:

নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম, মিন শাহরি রমাদানাল মুবারাক; ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু, ফাতাকাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।

বাংলা অর্থ:

হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল পবিত্র রমজানের তোমার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ফরজ রোজা রাখার ইচ্ছা (নিয়ত) করলাম। অতএব তুমি আমার পক্ষ থেকে কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

ইফতারের দোয়া আরবি দোয়া:

بسم الله اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ

বাংলা উচ্চারণ:

আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।

বাংলা অর্থ:

হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেওয়া রিজিকের মাধ্যমে ইফতার করছি।
(মুআজ ইবনে জাহরা (রা.) থেকে বর্ণিত, আবু দাউদ, হাদিস: ২৩৫৮)

আরও পড়ুন