
চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরার অপরাধে ১৭ জেলেকে আটক করেছে জেলা টাস্কফোর্স।
আটক জেলেদের মধ্যে ১৩ জনকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ৬৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বাকি চারজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অভিযানে অংশগ্রহণকারী সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক।
আটক জেলেরা হলেন— আক্তার হোসেন (৩৪), মো. কাউছার (২৬), খোরশেদ আলম (৩৫), মো. বাচ্চু মিয়া (৩২), মো. নাজিম উদ্দিন (৩৯), মো. আজাদ (৪৫), মো. বারেক (২২), মো. শরীফ (২৪), সাইদুর রহমান (২৪), আবু সাইদ (৪৫), মো. নিয়ামত ভুঁইয়া (৪০), মো. মনির (৩৭) ও মো. সাগর (২৮)।
অপ্রাপ্তবয়স্ক জেলেরা হলেন— মো. রবিউল, মো. সুক্কুর, বিল্লাল হোসেন ও মো. জাহিদ। তাদের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর, শরীয়তপুর ও নোয়াখালী জেলায়।
মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক জানান, বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দিবাগত রাত ৮টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত মেঘনা নদীর সদর উপজেলার হরিনা থেকে কাচিকাটা এলাকা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ১৭ জন জেলেকে আটক করা হয়। পাশাপাশি ২৫ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল এবং মাছ ধরার তিনটি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, রাতেই কোস্টগার্ড চাঁদপুর স্টেশনে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রহমত উল্লাহ পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত আটক ১৩ জেলেকে অর্থদণ্ড দেন। এছাড়া জব্দ করা কারেন্টজাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয় এবং জেলে নৌকাগুলো কোস্টগার্ডের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং কোস্টগার্ডের সদস্যরা অংশ নেন।









