
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সহযোগিতায় আয়োজিত চিটাগাং রিজিয়নাল টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের প্রথম দিনেই জয় দিয়ে শুভ সূচনা করেছে ফর্টিস কুমিল্লা এবং কন্টিনেন্টাল বি-বাড়িয়া।
গতকাল সাগরিকার বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দিনের প্রথম ম্যাচে ফর্টিস কুমিল্লা ৩৪ রানে হারিয়েছে এবি ব্যাংক নোয়াখালীকে।
একই মাঠে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে কন্টিনেন্টাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সহজেই ১৪৬ রানের বিশাল ব্যবধানে এশিয়ান বান্দরবান জেলাকে পরাজিত করে। এই ম্যাচে বান্দরবান মাত্র ৪১ রানে অলআউট হয়ে যায়।
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় কন্টিনেন্টাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ওপেনার আশফাক (২২ বলে ২৯) এবং সুমন (৪৫ বলে ৪৮) ৭৪ রানের দারুণ জুটি গড়ে দলকে শক্ত ভিত এনে দেন।
এই ভিতের উপর দাঁড়িয়ে বাকি ব্যাটারদের অবদানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১৮৭ রানের বিশাল স্কোর গড়ে। সুমনের ৪৮ রান ছাড়াও, শামীম ২৫ বলে ৩৯, সজিব মিয়া ১২ বলে ৩০ (৪ ছক্কা) এবং খোরশেদ ৬ বলে ১২ রান করেন। বান্দরবানের পক্ষে তাইজুল ইসলাম এবং নাহিদ ইবনে নুর ২টি করে উইকেট লাভ করেন।
১৮৮ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শোচনীয় ব্যাটিং বিপর্যয়ের শিকার হয় এশিয়ান বান্দরবান জেলা। প্রথম ওভার কোনোমতে নির্বিঘ্নে কাটলেও এরপর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে দলটি। ফলস্বরূপ, মাত্র ৪১ রানেই অলআউট হয়ে যায় বান্দরবান।
দলের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে শাখাওয়াত ১৬ রান করে দুই অঙ্কের কোটায় পৌঁছাতে পারেন। বাকি চারজন ব্যাটার রানের খাতা খোলার আগেই আউট হন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পক্ষে সজিবুল আলম, মেহেদী হাসান, শামীম মিয়া এবং শরীফুল ইসলাম প্রত্যেকে ২টি করে উইকেট নেন। দারুণ অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য শামীম মিয়া ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন।
সকালে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সহ-সভাপতি নাজমুল আবেদীন ফাহিম, বিসিবি পরিচালক আকরাম খান, বিসিবি পরিচালক মনজুর আলম মঞ্জু, কন্টিনেন্টাল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসান ইকবাল আবির, ইস্পাহানী গ্রুপের পরিচালক মির্জা আলি ইস্পাহানী, এশিয়ান গ্রুপের ডিএমডি সাকিফ আহমেদ সালাম, ফর্টিস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাত হোসেন, এবি ব্যাংক লিমিটেডের রিজিয়নাল হেড মাহতাবুর রহমান, ক্লিপটন গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সদর উদ্দিন চৌধুরী, এবং বিসিবির হেড অব গেম ডেভেলপমেন্ট হাবিবুল বাশার সুমন।