
লাইফস্টাইল ডেস্ক

ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পশুর হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা গরুর মধ্যে অনেকই রোগাক্রান্ত বা ক্ষতিকর রাসায়নিক ও ওষুধ খাওয়ানো। স্টেরয়েড দিয়ে মোটাতাজা করা গরু দেখতে চকচকে, হৃষ্টপুষ্ট ও আকর্ষণীয় দেখালেও আসলে সেগুলো মোটাতাজা হয় না। ওষুধ দিয়ে মোটাতাজা করা গরুর মাংস রান্নার পরেও খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
তাছাড়া, কোরবানির অনুপযুক্ত গরু কোরবানি দিলেও সেই কোরবানি কবুল হয় না। তাই কোরবানি কবুল করতে এবং স্বাস্থ্যকর নিরাপদ মাংস নিশ্চিতের জন্য সুস্থ গরু চেনাটা খুব জরুরি।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু বিশেষজ্ঞরা গরু কেনার সময়ে কয়েকটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখার পরামর্শ দেন:
গরুর সচেতনতা: সুস্থ গরু সচেতন থাকবে। লেজ দিয়ে মশা-মাছি তাড়াবে, আশপাশে মানুষের উপস্থিতি বুঝতে পারবে এবং এ সময় সে নড়ে উঠবে।
খাওয়ার প্রবণতা: সুস্থ গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে হয় সেটা টেনে খাবে নয়ত জাবর কাটবে। কিন্তু অতিরিক্ত স্টেরয়েড দেয়া গরু কিছু খেতে চাইবে না। সঙ্গে মুখ থেকে প্রতিনিয়ত লালা ঝরবে।
শরীরের গঠন: সুস্থ গরুর চামড়ার ওপর দিয়ে কয়েকটা পাঁজরের হাড় স্পষ্ট বোঝা যাবে।
নাকের আর্দ্রতা: অসুস্থ গরুর নাক থাকবে শুকনা। কিন্তু সুস্থ গরুর নাকের উপরের অংশটি ভেজা বা বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে থাকবে।
শরীরের রঙ: সুস্থ গরুর শরীরের রঙ উজ্জ্বল থাকবে। পিঠের কুজ মোটা, টানটান ও দাগমুক্ত হবে।
রানের মাংস: সুস্থ গরুর রানের মাংস থাকবে শক্ত। অন্যদিকে, অসুস্থ গরুর পা হবে নরম ও থলথলে।
শরীরের তাপমাত্রা: গরুর শরীরের তাপমাত্রা হতে হবে স্বাভাবিক। গরুর শরীরে হাত দিয়ে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মনে হলে বুঝতে হবে গরুটি অসুস্থ।
দাঁত: গরুর নিচের পাটিতে যদি দুধদাঁতের পাশাপাশি সামনে অন্তত দুটি কোদালের মতো স্থায়ী দাঁত থাকে, তাহলে বুঝতে হবে গরুটি কোরবানির উপযুক্ত।
পশুর বয়স:
অন্যান্য বিষয়:
কোরবানির জন্য উপযুক্ত পশু:
মোট ৬ ধরনের পশু দিয়ে কোরবানি করা যায়। উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা
সম্পাদক : শাদমান আল আরবী | নির্বাহী সম্পাদক : তানভীর আল আরবী
ঠিকানা : ঝাউতলা, ১ম কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০। ফোন : ০১৩১৬১৮৬৯৪০, ই-মেইল : info@risingcumilla.com, বিজ্ঞাপন: risingcumillaofficial@gmail.com, নিউজরুম: news.risingcumilla@gmail.com © ২০২৩ রাইজিং কুমিল্লা সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। | Design & Developed by BDIGITIC