
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, কোন শিক্ষার্থীর কোন বিষয়ে দুর্বলতা আছে তা চিহ্নিত করতে হবে এবং শিক্ষকদের সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, “এভাবে কোচিং সেন্টার শতভাগ বন্ধ করতে হবে।”
শনিবার দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে কুমিল্লা অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শিক্ষামন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
কোচিং সেন্টার নিয়ে তিনি বলেন, “দেশে-বিদেশে সব কিছুর লাইসেন্স ব্যবস্থা আছে, কিন্তু ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টার খুলবেন—এগুলো কি আইনের আওতায় আসবে না মনে করেন? সব আস্তে-আস্তে হবে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে শিক্ষায় দায়িত্ব দিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মতো নয়, এখানে যারা কাজ করছেন তারা সদকায়ে জারিয়া পাবেন।
তিনি নকল বিষয়ে তীব্র অবস্থানও ব্যক্ত করেন। মন্ত্রী বলেন, “১৯৭২ থেকে ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে শিক্ষকরা নকলে সহায়তা করেছিলেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ আমি নকলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছি। এরপর আমরা সরে গেলাম, আবার সেই একই অবস্থা। এবার আমরা এসেছি, আমরা নকল চাই না।”
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ৬ আসনের এমপি মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি ঘোষণা করেন, কুমিল্লা ৬ নির্বাচনী আসনের কোন কেন্দ্রে নকল চলবে না।
কোন শিক্ষক যদি নকলে সহযোগিতা করে, সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
সভায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা, সব কেন্দ্র সচিব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।









