
কুমিল্লার চান্দিনায় পৌরসভার উন্নয়নে দিনব্যাপী ক্লাস্টার ডেভেলপমেন্ট পরিকল্পনা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সকাল থেকে ওই কর্মশালা শুরু হয়। চান্দিনা পৌরসভা ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের রিজিলিয়েন্ট আরবান এ্যান্ড টেরিটরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (আরইউটিডিপি) এর উদ্যোগে দিনব্যাপী ক্লাস্টার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান (সিডিপি), ক্যাপিটাল ইনভেস্টম্যান্ট প্ল্যান (সিআইপি) এবং সিআরএপি প্রিপারেশন ওয়ার্কসপ অনুষ্ঠিত হয়।
চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল হক এর সভাপতিত্বে এবং নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আব্দুর রকিব খান এর উপস্থাপনায় কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন আরইউটিডিপি কুমিল্লার এসএমই মো. আব্দুল কুদ্দুস, নগর পরিকল্পনাবিদ তামান্না সালাম, আর্কিটেক্ট ফারহানা ইসলাম, ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার সানিম আরেফিন, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ মো. আল আমিন, সামাজিক ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ মো. জাহিদুল ইসলাম, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশতাক আহমেদ তালুকদার, চান্দিনা পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হাছান।
কর্মশালায় পৌরসভার টিএলসিসি’র সদস্যবৃন্দ চান্দিনা পৌরসভাকে আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে গ্রুপ ভিত্তিক নকশাসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ণ করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন- এ প্রকল্পের মাধ্যমে উপস্থিত নাগরকিগণের সুচিন্তিত মতামতগুলোকে কাজে লাগিয়ে বসবাসযোগ্য একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন পৌরসভা গড়ে উঠবে। রাস্তা, ড্রেন, সড়কবাতি, বাজার, পাবলিক টয়লেটসহ নাগরিক সেবার উন্নয়ন ঘটবে।
অনুষ্ঠানে অন্য বক্তারা বলেন- আরইউটিডিপি বাংলাদেশের নিজস্ব বিনিয়োগ প্রকল্প, বিশ্ব ব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে এলজিইডির অধীনে জুলাই ২০২৪ সাল থেকে জুন ২০৩০ পর্যন্ত ৬ বছর মেয়াদে এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু সহিষ্ণু উন্নত নগর অবকাঠামো ও সুবিধাদি নির্মিত হবে এবং এর ফলে ৮১টি পৌরসভা ও ৬টি সিটি কর্পোরেশনে বসবাসরত ১ কোটি ৭০ লক্ষ জনগণ এবং প্রকল্পের ইন্টারভেনশনস হতে গ্রোথ করিডোরে বসবাসরত নগর, গ্রামীণ ৪৬ লক্ষ জনগণ উপকৃত হবে।
এছাড়া প্রকল্পের আওতায় রাস্তা ও ফুটপাত, সড়কবাতি উন্নয়ন, ডাম্পিং স্টেশন, বহুমুখী মার্কেট, সুপার মার্কেট, ড্রেন নির্মাণ, পাবলিক টয়লেট, বাজার ও বাস টার্মিনাল উন্নয়ন, ব্রীজ ও কালভাট নির্মাণ সহ আধুনিক নগর সেবার বিভিন্ন দিক উন্নয়ন করা হবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্প সামাজিক ও পরিবেশগত, জলবায়ু সহনশীল নগর পরিসেবা দিক বিবেচনা করে এবং নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে পরিচালিত হবে।










