
নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লা শহরের ফলের দোকান গুলোতে বিদেশি ফলের চড়া দামে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। আপেল, কমলা, মাল্টা, আঙুর ও বেদানার মতো ফল কিনতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। দাম বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় কম ফল কিনছেন। কেউ কেউ আবার দাম শুনে ফল না কিনেই ফিরে যাচ্ছেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) কুমিল্লা শহরের বিভিন্ন এলাকার ফলের দোকানে ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে।
বিক্রেতাদের দাবি, আমদানি ব্যয়, শুল্ক-কর, পরিবহন খরচ এবং সরবরাহ পর্যায়ের বিভিন্ন ব্যয়ের কারণে বিদেশি ফলের দাম বেড়ে যায়। তবে এসব কারণের কোনটি কতটা প্রভাব ফেলছে, তা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই প্রয়োজন।
বিদেশি ফলের বাজারে আপেল, কমলা, মাল্টা, আঙুর, বেদানা ও নাশপাতি ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় থাকলেও বাড়তি দামের কারণে এসব ফল কেনায় আগ্রহ কমছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ফলের দোকান ঘুরে দেখা যায়, লাল আপেল প্রতিকেজি ৩০০ থেকে ৩৮০ টাকা, সবুজ আপেল ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা, কমলা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং মাল্টা ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সবুজ আঙুরের কেজি ৩৬০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং লাল আঙুর ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। অন্যদিকে, বেদানা প্রতিকেজি ৪৫০ থেকে ৫২০ টাকা এবং নাশপাতি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলের জাত, আকার ও মানভেদে দামে পার্থক্য রয়েছে।
নগরীর পুলিশ লাইনের ফল বিক্রেতা জানান, বিদেশ থেকে ফল আমদানির সময় শুল্ক-কর, ডলারের বিনিময়মূল্য, পরিবহন ব্যয় এবং বন্দরে পণ্য খালাসসংক্রান্ত খরচের প্রভাব পড়ে। এসব ব্যয় বেড়ে গেলে আমদানিকারকদের কাছ থেকে বেশি দামে ফল কিনতে হয়। এর প্রভাব পড়ে পাইকারি ও খুচরা বাজারেও।
চকবাজারে ফল কিনতে এসে ক্রেতা জসিম মিয়া জানান, বাজার তদারকি জোরদার করার পাশাপাশি আমদানি ও সরবরাহব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যয় এবং দামের হিসাব পর্যালোচনা করা হোক। এতে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি থাকলে তা শনাক্ত করা সহজ হবে।
সম্পাদক : শাদমান আল আরবী | নির্বাহী সম্পাদক : তানভীর আল আরবী
ঠিকানা : ঝাউতলা, ১ম কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০। ফোন : ০১৩১৬১৮৬৯৪০, ই-মেইল : info@risingcumilla.com, বিজ্ঞাপন: risingcumillaofficial@gmail.com, নিউজরুম: news.risingcumilla@gmail.com © ২০২৩ রাইজিং কুমিল্লা সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। | Design & Developed by BDIGITIC