
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার জোড়কানন পশ্চিম ইউনিয়নের সুয়াগাজী এলাকার ‘রাহাত ফিলিং সেন্টার’ নামক একটি পাম্পে গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে ক্রয় ও বিক্রয়ের হিসাব যাচাই করে জ্বালানি তেল অকটেন মজুতে অনিয়ম পাওয়া যায়নি।
আজ শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সজীব তালুকদার।
এসময় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সজীব তালুকদার জানান, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রশাসন জানায়, অভিযানের সূত্রপাত হয় এক ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে।
অভিযোগে বলা হয়, সুয়াগাজী রাহাত ফিলিং সেন্টারে পর্যাপ্ত অকটেন মজুত থাকা সত্ত্বেও গ্রাহকদের তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সরেজমিন তদন্ত পরিচালনা করে।
তদন্তে জানা যায়, কোনো ফিলিং স্টেশনে তেল মজুত রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা বা গ্রাহকদের তেল সরবরাহ না করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট পাম্পের বিগত ৩ মাসের গড় অকটেন ক্রয় ও বিক্রয়ের হিসাব যাচাই করে তা স্বাভাবিক ও সঠিক পাওয়া যায়।
তিনি আরও জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্মানিত জনসাধারণকে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে ফিলিং স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করার জন্য অনুরোধ।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেশীয় বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা, অপচয় রোধ এবং চোরাচালান প্রতিরোধের লক্ষ্যে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা প্রশাসন এখন থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবে বলে জানানো হয়েছে।
উক্ত অভিযান পরিচালনা করেন সজীব তালুকদার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা।









