বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ মিসাইল হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Rising Cumilla - Russia's deadly missile attack on Kiev
কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ মিসাইল হামলা/ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার ভয়াবহ মিসাইল হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলা শুরু করেছে। খবর জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স ও এএফপি।

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিটচকো টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, “রাজধানীতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটছে। আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী সক্রিয় রয়েছে। সবাইকে নিরাপত্তার জন্য শেল্টারে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”

এদিকে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী রাজধানী কিয়েভসহ সারা দেশজুড়ে এয়ার এলার্ট জারি করেছে। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন দিক থেকে ড্রোন ও মিসাইল ধেয়ে আসছে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা প্রতিহত করার চেষ্টা করছে।

বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, তাদের সাংবাদিকরা কিয়েভে একাধিক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। পাশাপাশি আকাশে কমলা রঙের আগুনের বিশাল কুণ্ডলি উঠতে দেখা গেছে, যা হামলার তীব্রতা আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

এই হামলার সময়টি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। কারণ, আগামী রোববার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ওই বৈঠকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। ঠিক এর আগমুহূর্তেই ইউক্রেনে বড় আকারের হামলা চালাল রুশ বাহিনী।

এর আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাশিয়া অভিযোগ করে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চলমান শান্তি আলোচনাকে ‘নস্যাৎ’ করার চেষ্টা করছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে একটি ২০ দফা শান্তি চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেছেন। খসড়ায় বলা হয়েছে, উভয় দেশ এই প্রস্তাবে সম্মত হলে তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধ বন্ধ হবে।

চুক্তির প্রস্তাব অনুযায়ী, রুশ সেনারা বর্তমানে ইউক্রেনের যেসব ভূখণ্ডে অবস্থান করছে, সেখানেই থাকবে। অপরদিকে ইউক্রেনের সেনারা পূর্বাঞ্চল থেকে পিছু হটবে। ওই এলাকাগুলোতে পরবর্তীতে একটি ইকোনোমিক জোন বা অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন