
টানা চতুর্থ হারে কঠিন সময় পার করছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই চাপে ছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। মাঝে খানিকটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও সেই চেষ্টা বেশিক্ষণ টেকেনি। নোয়াখালীর ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি ভেঙে দেন বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১৪ ওভার ২ বলেই ৬১ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালী।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নোয়াখালী এক্সপ্রেস। তবে শুরু থেকেই ব্যাটাররা চাপে পড়ে যান সিলেটের বোলারদের সামনে। দলের মাত্র দুইজন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে সক্ষম হন।
মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন সর্বোচ্চ ৩২ বলে ২৫ রান করেন। অন্যদিকে হাবিবুর রহমান সোহান ১৬ বলে ১৮ রান যোগ করেন। এ দুজন ছাড়া আর কেউ উল্লেখযোগ্য কোনো ইনিংস খেলতে পারেননি।
ব্যাটিং বিপর্যয়ের চিত্রটা স্পষ্ট হয় শুরুতেই—চারজন ব্যাটার রানের খাতা খুলতেই পারেননি। মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে নোয়াখালী, যা তাদের জন্য ম্যাচে ফেরার সব সম্ভাবনাই প্রায় শেষ করে দেয়।
এই ধ্বংসযজ্ঞের মূল নায়ক নাসুম আহমেদ। ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান খরচ করে ৫ উইকেট শিকার করেন তিনি। তার নিয়ন্ত্রিত ও আক্রমণাত্মক বোলিংয়ের সামনে নোয়াখালীর ব্যাটাররা একেবারেই অসহায় ছিলেন।
৬১ রানে অলআউট হয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ইতিহাসে সর্বনিম্ন দলীয় রানের তালিকায় চার নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে খুলনা—যারা ২০১৬ সালে রংপুরের বিপক্ষে মাত্র ৪৪ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল।










