
রাইজিং কুমিল্লা | বিশেষ প্রতিবেদন
বিকেল গড়িয়ে তখন বেলা ৩টা। ধীরে ধীরে জমতে শুরু করেছে মানুষের ভিড়। কেউ এসেছেন পরিবার নিয়ে, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে, আবার কেউ প্রিয়জনের হাত ধরে খুঁজছেন একটু প্রশান্তির সময়। পশ্চিম আকাশে সূর্য হেলে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে মানুষের আনাগোনা। বিকেলের সেই ছোট্ট জমায়েত সন্ধ্যা নামতেই রূপ নেয় মানুষের মিলনমেলায়। রাত ১০টা পর্যন্ত চলে আড্ডা, ঘোরাঘুরি আর প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানোর আয়োজন।
কুমিল্লার গোমতী নদীর দুই পাড়ের এখনকার চিত্র এটি। শহরের ব্যস্ততা, যানজট আর যান্ত্রিক জীবনের কোলাহল পেরিয়ে একটু স্বস্তির নিশ্বাস নিতে প্রতিদিন এখানে ছুটে আসছেন অসংখ্য মানুষ। কারও কাছে এটি বিকেলের অবসর কাটানোর জায়গা, কারও কাছে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর ঠিকানা, আবার অনেকের কাছে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার প্রিয় স্থান।
শীতের আগমনী বার্তায় গোমতী নদীর রূপ যেন আরও বেশি মায়াবী হয়ে উঠেছে। শান্ত নদীর বুক, বিস্তৃত খোলা আকাশ, নদীর ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শীতল বাতাস আর সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক ভিন্ন আবহ। বিশেষ করে নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে নদীর পানি কমে আসার পর দুই পাড়ের বিস্তৃত দৃশ্য প্রকৃতিপ্রেমীদের বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করে।
স্থানীয়দের মতে, কুমিল্লা শহরের কাছেই এমন একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জায়গা থাকা বড় সম্ভাবনার বিষয়। প্রয়োজন শুধু পরিকল্পিত উন্নয়ন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এবং পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। সঠিক উদ্যোগ নেওয়া হলে গোমতীর পাড় হতে পারে কুমিল্লার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র।
নদীর পাড়ে জমজমাট খাবারের আয়োজন, বাড়ছে স্থানীয় ব্যবসা
গোমতীর পাড়ে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে নদীসংলগ্ন এলাকার অর্থনৈতিক চিত্রও। মানুষের সমাগমকে কেন্দ্র করে নদীর দুই পাড়ে গড়ে উঠেছে অস্থায়ী ও স্থায়ী বিভিন্ন দোকানপাট। কোথাও চায়ের দোকান, কোথাও কফির আয়োজন, আবার কোথাও পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুড ও মুখরোচক খাবার।
তবে খাবারের আয়োজনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে কক্সবাজারের আদলে তৈরি ‘লাইভ ফিশ বারবিকিউ’। পর্যটকদের সামনে মাছ প্রস্তুত ও বারবিকিউ করার এই আয়োজন বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে। নদীর পাড়ে খোলা আকাশের নিচে বসে গরম গরম বারবিকিউ খাওয়ার অভিজ্ঞতা নিতে অনেকেই ভিড় করছেন এসব দোকানে।
শুধু খাবার নয়, নদীর পাড়ে বসে চা-কফি পান, বন্ধুদের সঙ্গে গল্প কিংবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অবসর কাটানোর সুযোগও পর্যটকদের আকৃষ্ট করছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, শীত মৌসুমে দর্শনার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি থাকে। বিশেষ করে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়ে। এতে খাবারের দোকান, চায়ের স্টলসহ বিভিন্ন ছোট ব্যবসার আয়ও বাড়ছে।
নদীর পাড়ে খাবারের দোকান পরিচালনাকারী এক ব্যবসায়ী রাইজিং কুমিল্লাকে বলেন, ‘আগে এই জায়গায় এত মানুষের আনাগোনা ছিল না। এখন বিকেল হলেই মানুষ আসতে শুরু করেন। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে ভিড় অনেক বেড়ে যায়। পর্যটকদের জন্য আরও ভালো পরিবেশ তৈরি করা গেলে আমাদের ব্যবসার পাশাপাশি এলাকার অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।’
পরিবার, বন্ধু আর প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানোর ঠিকানা
গোমতীর পাড়ে আসা মানুষের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থী। তরুণ-তরুণীদের পাশাপাশি শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
কেউ নদীর পাড়ে বসে সূর্যাস্ত উপভোগ করছেন, কেউ মুঠোফোনে ধারণ করছেন প্রিয় মুহূর্তগুলো। আবার অনেকেই নদীর পাশে বসে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। শহরের কাছাকাছি হওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই এখানে আসা যায়। ফলে দূরে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনা না থাকলেও বিকেলটা উপভোগ করতে অনেকেই চলে আসছেন গোমতীর পাড়ে।
দেবিদ্বার থেকে ঘুরতে আসা মো: জামিল রাইজিং কুমিল্লাকে বলেন, ‘বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য এমন জায়গা খুব একটা পাওয়া যায় না। এখানে খোলা পরিবেশ, নদীর বাতাস আর চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভালো লাগে। বিশেষ করে বিকেলের সময়টা বেশ উপভোগ্য। জায়গাটিকে একটু সুন্দর করে সাজানো হলে আরও বেশি মানুষ এখানে আসবেন।’
পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা একজন দর্শনার্থীর ভাষ্য হতে পারে, ‘শহরের ব্যস্ততার মধ্যে শিশুদের নিয়ে কিছুটা সময় কাটানোর মতো জায়গা প্রয়োজন। গোমতীর পাড়ে এসে ভালো লাগছে। তবে বসার ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, শিশুদের বিনোদন এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো আরও উন্নত করা দরকার।’
দর্শনার্থীদের এমন আগ্রহই জানান দিচ্ছে, গোমতীর পাড় এখন আর শুধু নদীর তীর নয়; ধীরে ধীরে এটি হয়ে উঠছে কুমিল্লাবাসীর অবসর বিনোদনের অন্যতম জায়গা।
ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে গোমতী নদী
গোমতী নদীর গুরুত্ব শুধু এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কুমিল্লার ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষি, যোগাযোগ ও জনজীবনের সঙ্গে নদীটির রয়েছে গভীর সম্পর্ক।
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ত্রিপুরা রাজ্যের ডুমুর নামক স্থান থেকে উৎপত্তি হয়ে নদীটি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশ অংশে প্রায় ৯৫ কিলোমিটার দীর্ঘ গোমতী নদী কুমিল্লার বিভিন্ন জনপদের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শেষ পর্যন্ত মেঘনা নদীতে মিলিত হয়েছে।
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ, কোতোয়ালি, ময়নামতি, কোটবাড়ি, বুড়িচং, মুরাদনগর ও দেবীদ্বারসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে নদীটির সম্পর্ক রয়েছে।
একসময় নদীপথে যোগাযোগ, কৃষিকাজ, মাছ ধরা এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে গোমতীর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নদীর পানি কৃষিজমিতে সেচের কাজে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি নদী ও এর আশপাশের পরিবেশ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, পাখি এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ।
বর্ষাকালে কখনো কখনো গোমতী ধারণ করে রুদ্রমূর্তি। আবার শীতের শুরুতে নদীর পানি ও পরিবেশে আসে ভিন্ন এক সৌন্দর্য। শান্ত নদী, বিস্তৃত চরাঞ্চল, দুই পাড়ের সবুজ প্রকৃতি এবং গ্রামীণ জনপদের জীবনযাত্রা পর্যটকদের সামনে তুলে ধরে বাংলার চিরচেনা প্রকৃতির এক অনন্য দৃশ্য।
পরিকল্পিত উন্নয়ন হলে বদলে যেতে পারে গোমতীর পাড়
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থাকা সত্ত্বেও গোমতীর পাড়কে এখনো পরিকল্পিত পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। পর্যটকদের আগ্রহ ও মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি থাকলেও এখানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, পরিচ্ছন্নতা ও বিনোদনসুবিধার ঘাটতি রয়েছে।
তাদের মতে, প্রথমেই নদীর দুই পাড়ের উপযুক্ত স্থান চিহ্নিত করে একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশ অক্ষুণ্ন রেখে পর্যটকদের জন্য হাঁটার পথ, বসার স্থান, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা এবং দৃষ্টিনন্দন বিশ্রামাগার তৈরি করা যেতে পারে।
পাশাপাশি শিশুদের জন্য একটি আঞ্চলিক শিশুপার্ক বা বিনোদনকেন্দ্র স্থাপন করা হলে পরিবার নিয়ে আসা দর্শনার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে। নদীর সৌন্দর্য উপভোগের জন্য নিরাপদ নৌ-ভ্রমণের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত চালক, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম, লাইফ জ্যাকেট এবং জরুরি উদ্ধারব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
এ ছাড়া পর্যটকদের জন্য পরিচ্ছন্ন শৌচাগার, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত বসার স্থান, খাবারের দোকানগুলোর জন্য নির্দিষ্ট জায়গা এবং ময়লা-আবর্জনা ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দা ফয়সাল আহমেদ রাইজিং কুমিল্লাকে বলেন, ‘গোমতীর পাড়ে এমনিতেই মানুষ ঘুরতে আসছেন। এখানে যদি সরকারি উদ্যোগে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করা হয়, তাহলে কুমিল্লার মানুষকে বিনোদনের জন্য দূরে যেতে হবে না। একই সঙ্গে বাইরের জেলা থেকেও পর্যটক আসবেন। এতে এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে এবং অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে।’
পর্যটন বিকাশের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণেও নজর প্রয়োজন
গোমতীর পাড়কে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। মানুষের সমাগম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীর তীরে ময়লা-আবর্জনা ফেলা, খাবারের উচ্ছিষ্ট ও প্লাস্টিক বর্জ্য জমে পরিবেশ দূষণের আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে।
এ কারণে পর্যটন পরিকল্পনার শুরু থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সচেতন মহল।
তাদের মতে, নদীর তীর দখল ও অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, জীববৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত নজরদারি, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাকর্মী এবং জরুরি চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থাও থাকা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, স্থানীয় প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত উদ্যোগে গোমতীর পাড়ের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
কর্মসংস্থান ও রাজস্ব আয়ের নতুন সম্ভাবনা
পরিকল্পিত পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠলে এর সুফল শুধু বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বরং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
পর্যটকদের আগমন বাড়লে খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ, পরিবহন, নৌ-ভ্রমণ, স্থানীয় পণ্য বিক্রি এবং বিভিন্ন সেবামূলক খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে তরুণ উদ্যোক্তারা এখানে নতুন ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।
এ ছাড়া নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় দোকানপাট পরিচালনা, পার্কিং, নৌ-ভ্রমণ ও অন্যান্য পর্যটনসেবা চালু করা গেলে সরকারের রাজস্ব আয়েরও সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগে নদীর তীরের ভূমির অবস্থা, পরিবেশগত প্রভাব, নিরাপত্তা এবং স্থানীয় মানুষের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
কুমিল্লার পর্যটন মানচিত্রে নতুন সম্ভাবনার নাম গোমতী
কুমিল্লার রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থান। শালবন বিহার, ময়নামতি জাদুঘর, ধর্মসাগরসহ বিভিন্ন স্থানে পর্যটকদের আগ্রহ দীর্ঘদিনের। এর সঙ্গে গোমতীর পাড়কে পরিকল্পিতভাবে যুক্ত করা গেলে কুমিল্লায় পর্যটনের নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে।
বিশেষ করে শীত মৌসুমে গোমতীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন যে বিপুলসংখ্যক মানুষ আসছেন, তা এই এলাকার পর্যটন সম্ভাবনারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। শুধু মৌসুমি বিনোদনের জায়গা হিসেবে নয়, বরং পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গোমতীর পাড়কে গড়ে তুলতে নেওয়া হবে কার্যকর উদ্যোগ।
প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য, নদীকেন্দ্রিক জীবনযাত্রা, স্থানীয় মানুষের আতিথেয়তা এবং খাবারের বৈচিত্র্য—সব মিলিয়ে গোমতীর পাড়ে রয়েছে পর্যটনকেন্দ্র হয়ে ওঠার প্রয়োজনীয় অনেক উপাদান।
এখন প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে এলে একদিন গোমতীর পাড় শুধু কুমিল্লাবাসীর নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের কাছেও হয়ে উঠতে পারে এক আকর্ষণীয় ভ্রমণগন্তব্য।
সম্পাদক : শাদমান আল আরবী | নির্বাহী সম্পাদক : তানভীর আল আরবী
ঠিকানা : ঝাউতলা, ১ম কান্দিরপাড়, কুমিল্লা-৩৫০০। ফোন : ০১৩১৬১৮৬৯৪০, ই-মেইল : info@risingcumilla.com, বিজ্ঞাপন: risingcumillaofficial@gmail.com, নিউজরুম: news.risingcumilla@gmail.com © ২০২৩ রাইজিং কুমিল্লা সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত। | Design & Developed by BDIGITIC