
টানা ১২৫ ঘণ্টার অনশন কর্মসূচির পর অবশেষে নির্বাচনী অঙ্গনে নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন ‘আমজনতার দল’। একই সঙ্গে ‘জনতার দল’ নামের আরেকটি নতুন রাজনৈতিক সংগঠনকেও নিবন্ধন দিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পুনঃতদন্ত শেষে এই দুই দলকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি এ তথ্য জানান।
ইসি সচিব জানান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দলগুলোর কার্যালয় কার্যক্রম বিষয়ে পুনরায় তদন্ত করা হয়। তদন্তে দেখা যায়, আমজনতার দল ও জনতার দল—উভয়ই নিবন্ধনের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করেছে। সেই কারণে কমিশন তাদের নিবন্ধন দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি আরও জানান, দল দুটির বিষয়ে কারও আপত্তি রয়েছে কিনা, তা জানার জন্য আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়ে গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে। আগামীকাল (শুক্রবার) সংবাদপত্রে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে।
তফসিল ও গণভোট ইস্যুতে আলোচনার জন্য ১০ অথবা ১১ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুরোধ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বঙ্গভবনে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরেই চিঠি পাঠানো হয় বলে জানান ইসি সচিব।
প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত নিয়মের একটি সংশোধনী উপদেষ্টা পরিষদ আজ অনুমোদন করেছে বলেও জানান আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, কোন ধরনের পোস্টাল ব্যালট বাতিল হবে এবং কীভাবে গণনা করা হবে—এই বিষয়গুলো সংশোধনীতে স্পষ্ট করা হয়েছে।








