
ঈদুল আজহা আর ঈদুল ফিতর বিশ্ব মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে আনন্দের দিন। ঈদুল ফিতর বা রোজার ঈদের দু মাস দশ দিন পর ঈদুল আজহা পালন করে থাকেন বিশ্ব মুসলমানরা।
এদিকে সৌদি আরবের চাঁদ দেখা কমিটি ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে। তাদের মতে, সৌদিতে কোরবানির ঈদ হতে পারে জুন মাসের ১৬ তারিখ, যা হিজরি বর্ষপঞ্জির ১০ জিলহজ।
তবে, চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে তারিখ পরিবর্তন হতে পারে। যদি সৌদিতে ১৬ জুন ঈদ হয়, তাহলে পরের দিন, ১৭ জুন বাংলাদেশে ঈদুল আজহা পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই ঘোষণার পর থেকেই ঈদের আনন্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে মুসলিম জনগোষ্ঠী। ঈদের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জোরালোভাবে।
তবে ইসলামের বিভিন্ন বর্ণনা অনুযায়ী, মহান আল্লাহ তায়ালা মুসলিম জাতির পিতা হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে স্বপ্নে তার সবচেয়ে প্রিয় বস্তুটি কোরবানি করার নির্দেশ দেন।
আদেশের পর তিনি সবচেয়ে প্রিয় পুত্র ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানির সিদ্ধান্ত নেন। এতে আল্লাহ খুশি হন এবং ইসমাইলের পরিবর্তে পশু কোরবানি হয়।
এই ঘটনাকে স্মরণ করে সারা বিশ্বের মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনে হিজরি বর্ষপঞ্জি হিসাবে জিলহজ মাসের ১০ তারিখ থেকে শুরু করে ১২ তারিখ পর্যন্ত পশু কোরবানি করেন। সূত্র: বিবিসি










