মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

হিলি দিয়ে দুই দিনে ১৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি, কমছে বাজারদর

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

Rising Cumilla - 150 metric tons of onions imported through Hili in two days, market prices are falling
হিলি দিয়ে দুই দিনে ১৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি, কমছে বাজারদর

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ শুরু করেছে। সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী।

তিনি জানান, আজ দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ভারত থেকে তিনটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান—মেসার্স রুবেল এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স এম আর এন্টারপ্রাইজ এবং মেসার্স মোজাম্মেল হক এন্টারপ্রাইজ—মোট চারটি ট্রাকে পেঁয়াজ নিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে। প্রতিটি ট্রাকে ছিল ৩০ মেট্রিক টন করে পেঁয়াজ; মোট এসেছে ১২০ মেট্রিক টন।

এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যার পর রকি এন্টারপ্রাইজের একটি ট্রাকে ৩০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ হিলি বন্দরে আসে। দু’দিনের ব্যবধানে আমদানি শুরু হওয়ার ফলে বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫০ টাকা কমে গেছে বলে জানান সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী।

হিলি কাস্টমস বিভাগের উদ্ভিদ নিরোধ কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী বলেন, গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে আজ দুপুর পর্যন্ত ৫টি ট্রাকে ৩০ মেট্রিক টন করে মোট ১৫০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ দেশে প্রবেশ করেছে। পেঁয়াজ কাঁচামাল হওয়ায় এসব ট্রাক দ্রুত খালাসের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, ৫০ জন আমদানিকারককে মোট ৪ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা খুব শিগগিরই এই বন্দর দিয়ে আসতে শুরু করবে। আমদানি শুরু হওয়ায় গত দু’দিনে কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে।

আমদানিকারক মোজাম্মেল হক জানান, ভারতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩০ টাকা দরে কিনতে হচ্ছে। বন্দরের ট্যাক্স, ট্রাক ভাড়া ইত্যাদি যোগ করলে প্রতি কেজি পেঁয়াজের খরচ দাঁড়ায় প্রায় ৩৯ টাকা। আজ আমদানি করা পেঁয়াজ পাইকারিতে কেজি ৫৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। ফলে যেখানে দুই দিন আগে হিলিতে পেঁয়াজের দাম ছিল কেজি ১২০ টাকা, আজ সেই পেঁয়াজ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে।

অন্য একজন আমদানিকারক মো. রুবেল হোসেন বলেন, দেশে পেঁয়াজের ভরা মৌসুমে সিন্ডিকেটের কারণে অতিরিক্ত দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল। বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়। আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় থাকবে বলে তিনি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা আশ্বস্ত করেন।

আরও পড়ুন