শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহতের লাশ উত্তোলন

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

Rising Cumilla -Body of person killed in anti-discrimination protest exhumed in Lakshmipur
লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহতের লাশ উত্তোলন/ছবি: সংগৃহীত

গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রাস্তা পারাপারের সময় গুলিতে নিহত লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ঝাউডুগি গ্রামের দিনমজুর ফয়েজ আহাম্মদের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। ঘটনার প্রায় চার মাস পর, সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্দেশে এবং আদালতের আদেশে এই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

নিহত ফয়েজ ছিলেন রায়পুর উপজেলার চরআবাবিল ইউনিয়ন পরিষদের ঝাউডুগী গ্রামের দিনমজুর মো. আলাউদ্দিনের বড় ছেলে। ফয়েজ আহাম্মদের মৃত্যুর পর তাঁর বাবা আলাউদ্দিন বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা, এসআই কাজী আবুল বাসার, জানান, ‘নারায়ণগঞ্জ জেলা দায়রা জজ আদালত এই মামলায় পুনরায় ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। আদালতের এই নির্দেশনার ভিত্তিতেই ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ এবং রায়পুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।’

এ সময় উপস্থিত থাকা রায়পুর সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিগার সুলতানা বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।’

তিনি আরও জানান, ‘আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ময়নাতদন্ত শেষ করার পর লাশ দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

নিহত ফয়েজ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাস্তা পারাপারের সময় গুলিতে নিহত হয়েছিলেন। এই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্যই আদালত পুনরায় ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

লাশ উত্তোলন কার্যক্রমের সময় পুলিশ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং নিহতের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নিহত ফয়েজের স্বজনরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে বলেন, “আমরা ফয়েজ হত্যার বিচার চাই। যারা এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। আল্লাহ ফয়েজকে জান্নাতবাসী করুক।”

আরও পড়ুন