
ঢাকা-১৭ আসনের ১৯ নং ওয়ার্ডের ভোটার হতে নিজের নাম তোলা এব্ং জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সারলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তিনি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে উপস্থিত হয়ে ছবি তোলা ও আঙুলের ছাপ দেওয়ার মাধ্যমে ভোটার হওয়ার বাকি আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।
একই ওয়ার্ডে ভোটার হতে আবেদন করেছেন তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান। শনিবার এনআইডি মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুর কবীর সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
তারেক রহমান ভোটার হওয়ার সময় নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ সঙ্গে ছিলেন।
জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) অনুবিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এস এম হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের বলেন, ওনারা আগেই অনলাইনে ফরম পূরণ করেছেন।
এখন আমাদের কাছে এসে কেবল আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এনআইডি ডিজি বলেন, এরপর সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সার্ভারে সার্চ করে দেখবে যে, সেটা কারো সঙ্গে ম্যাচ করে কি না। ম্যাচ না করলে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এনআইডি নম্বর জেনারেট হবে। এটা আমাদের কারো হাতে নেই।
আমাদের কাছ থেকে এনআইডি বা স্মার্টকার্ড নিতে পারবেন। আবার নিবন্ধনকারীর মোবাইলে মেসেজ যাবে, সেখান থেকেও ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে গত বৃহস্পতিবার সপরিবার দেশে ফিরেছেন তারেক রহমান। বিএনপি আগেই জানিয়েছিল শনিবার তিনি ভোটার হবেন।
এর আগে সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। কবর জিয়ারত শেষে সেখান থেকেই তিনি নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে রওয়ানা হন, যেখানে তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধনের কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
এ বিষয়ে একই দিন সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এস এম হুমায়ুন কবীর জানান, তারেক রহমান ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার পর সর্বনিম্ন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা এবং সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে পাবেন।
তিনি আরও বলেন, এ জন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে। যে কক্ষে বসে তারেক রহমান বায়োমেট্রিক তথ্য দেবেন, সেটিও সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।









