
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের লাউর ফতেহপুর গ্রামের ১নং ওয়ার্ডের শিশু মিয়ার ছেলে মো. তানভীর আহমেদের (২৩) বিরুদ্ধে স্ত্রী নাহিদা আক্তারকে (২১) মারধর করে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
লাশ ময়নাতদন্ত শেষে নিহত নাহিদা আক্তারের শ্বশুড় বাড়িতে আনা হলেও লাশ গ্রহন না করে উল্টো মো. নাহিদ আহমেদ ও তার পরিবারের লোকজন পালিয়ে গেছে বলে জানা যায়।
স্থানিয়দের কাছ থেকে জানা যায়, একিই গ্রামের মো. তানভীর আহমেদ প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন মো. খলিল মিয়ার মেয়ে নিহত নাহিদা আক্তারকে।
বর্তমানে তাদের একটি ৫ বছরের পুত্র সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর সম্প্রতি প্রবাস ফেরত তানভীরের সাথে নিহত নাহিদার ঝগড়া আর সাংসারিক মনোমালিন্য হলে নাহিদা বাপের বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন।
আরও জানা যায়, গত রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) নিহত নাহিদা আক্তারের স্বামী তানভীর আহমেদ শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে জোরপূর্বক নাহিদা ও তাদের একমাত্র সন্তানকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এসেছিলো। সেই দিন রাতে নিহত নাহিদা আক্তারের ঝুঁলন্ত লাশ নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করে।
পরে নিহত নাহিদা আক্তারের মা মিনুয়ারা বেগম বাদী হয়ে গত সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ) দুপুরে তিনজনকে আসামি করে নবীনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতারের খবর পাওয়া যায়নি।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, নিহত নাহিদার মা বাদী হয়ে তিনজন আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুততার সাথে তদন্ত ও অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।







