
নতুন বছরের প্রথম দিন ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) ২০২৫ শুরু হবে। এবারও রাজধানীর পূর্বাচলে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী এক্সিবিশন সেন্টারে এই মেলা হবে। এটি হবে ২৯তম মেলা।
মেলায় বেশকিছু নতুন উদ্যোগ থাকবে। এর মধ্যে অ্যাপের মাধ্যমে মেলায় প্রবেশের টিকিট, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আত্মত্যাগকারীদের স্মরণে কর্ণার নির্মাণ হবে। আসন্ন মেলায় কমতে পারে স্টল, প্যাভিলিয়নের সংখ্যা। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এরআগে গত ৮ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য ও অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ১৪৬তম এবং বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউটের ৫৯তম পরিচালনা পর্ষদ সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ২০২৫ সালের ৮ জানুয়ারি ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছিলেন।
রাজধানীর পূর্বাচলে এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের মেলা প্রাঙ্গণ কিছুটা খোলামেলা রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বয়স্কদের বিশ্রামের জন্য জায়গা রাখারও পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এ কারণে গত বছরের তুলনায় মেলায় প্যাভিলিয়ন ও স্টলের সংখ্যা কিছুটা কম রাখা হবে। এছাড়া অ্যাপে মিলতে পারে মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশের টিকিট।
সূত্র গেছে, এবারের মেলায় ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের’ সাফল্যগাঁথা নিয়েও স্টল রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ‘মুগ্ধ’ কর্নার নির্মাণের পাশাপাশি ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের সম্মানে আর কী কী করা যায় তা নিয়েও ভাবছে মেলার আয়োজক রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
উল্লেখ্য, সাধারণত জানুয়ারির প্রথমদিন থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শুরু হয়। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে চলতি বছরের বাণিজ্য মেলা শুরু হয়েছিল ২১ জানুয়ারি। রাজধানীর উপকণ্ঠে পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই মেলা চলে।
দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিপণন, উৎপাদনে সহায়তার লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবির যৌথ উদ্যোগে ১৯৯৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এ মেলা হতো শেরেবাংলা নগরে।










