
ফেনীতে গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মো. এনামুল হক (৫০) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে ফেনী সদর উপজেলার ফতেহপুর রেলক্রসিং সংলগ্ন এলাকায় একটি গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত মো. এনামুল হক ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মাথিয়ারা গ্রামের ফজলুল হক ড্রাইভার বাড়ির বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফেনীর আদালতের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতে সেরেস্তাদার পদে কর্মরত ছিলেন। কর্মসূত্রে তিনি ফেনী পৌরসভার আলীমুদ্দিন সড়কের মোমেনা ম্যানশনের তৃতীয় তলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে এনামুল হক বাসা থেকে বের হন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ ও মহাসড়কের ফতেহপুর রেলক্রসিং সংলগ্ন রাস্তার পাশে একটি গাছের সঙ্গে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পথচারীরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করে এবং পরে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
নিহতের ছেলে এহসানুল হক সৈকত (২২) বলেন, “আমার বাবা সকাল ৭টার দিকে ঘর থেকে বের হন। পরে এলাকার লোকজন আমাদের খবর দিলে ঘটনাস্থলে এসে বাবার লাশ দেখতে পাই। আমার বাবাকে কেউ হত্যা করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমার বাবার সঙ্গে কারও কোনো বিরোধ ছিল না। আমি আমার বাবার খুনিদের বিচার চাই।”
এ বিষয়ে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নিশাত তাবাসসুম বলেন, “খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।”









