
ভারত পেঁয়াজের রপ্তানি বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়ায় দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে পণ্যটির দাম। সঙ্গে বেড়েছে দেশি পেঁয়াজের দামও। এতে করে ঘোষণা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই এক লাফে ভারতীয় আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ৬০-৬৫ টাকা।
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত। ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশটি আর পেঁয়াজ রপ্তানি করবে না। গণমাধ্যমে এমন খবর আসার সঙ্গে সঙ্গেই দেশের বাজারে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।
আজ শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে কুমিল্লা নগরীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ভারতীয় পেঁয়াজ ১৬৫/১৭০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ১৮৫/১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অপরদিকে পাড়ার দোকানগুলোতে বিক্রি হচ্ছে যথাক্রমে ১৮০ ও ২০০ টাকা কেজি পর্যন্ত।
ক্রেতারা জানান, শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। এছাড়াও দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা কেজি দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৩০ টাকা। তবে শুক্রবার সন্ধ্যার পর পেঁয়াজের দামে ভেলকি দেখান বিক্রেতারা। তখন ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা দরে এবং দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকা কেজি দরে।
ভারত সরকার নিজেদের দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করার খবর সন্ধ্যার মধ্যেই পৌঁছে যায় সাধারণ ব্যবসায়ীদের কানে। এরপরই নিজ নিজ অবস্থান থেকে বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করছেন তারা।
দাম বাড়ার কারণ হিসেবে খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত পেয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে। এমন খবর আসতে না আসতেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে।
এদিকে খুচরা পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের ধারণা, আগামী দুই দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম ২৫০ টাকা বা তারও বেশি হতে পারে।










