
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে প্রেমিকাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পরকিয়া প্রেমিকের বিরুদ্ধে।
গতকাল রোববার (৯ আগস্ট) রাত দশটার দিকে নাসিরনগর উপজেলার সদরের ধনকুড়া উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত প্রেমিক মারুফ মিয়া ধনকুড়ার মৃত চানু মিয়ার ছেলে।
নিহত খোদেজা বেগম নাসিরনগর উপজেলার সদরের কুলিকুন্ডা গ্রামের তারাজ মিয়ার বড় মেয়ে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর পূবে খোদেজা বেগমের সঙ্গে মাধবপুরে যুবকের সঙ্গে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়, তাদের একটি সন্তান ও রয়েছে, গত ছয়মাস আগে খোদেজা তার পরিবার নিয়ে মারুফ এর বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতেন, সেখান থেকে মারুফ ও খোদেজার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়, খোদেজার স্বামী তাদের অবৈধ সম্পর্ক টের পেলে তাকে মারধর করে মারুফ, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে মারুফ মিয়া। গতকাল রাতে খোদেজা বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে খোদেজা কে পেটে লাথি মেরে ফেলে দেয়, পরে ক্ষোভে মারুফ ও তার স্ত্রীর সামনে বিষপান করে খোদেজা।
পরে খোদেজা কে প্রথমে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেফার করে, সেখানে রাত একটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত মারুফ ও তার স্ত্রীর।
নিহতের বাবা তারাজ মিয়া জানান, আমার মেয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সোনার সংসার টা ধ্বংস করে মারুফ, গতকাল তারা স্বামী স্ত্রী দুজন মিলে আমার মেয়ে কে হত্যা করেছে, আমি এর বিচার চাই।
এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত সুহেল শিকদার জানান, লাশ উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।









