
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মেঘনা নদীতে দীর্ঘ দিন ধরে ড্রেজিংয়ের কারনে ভাঙ্গনের কবলে নিঃস্ব হওয়া ভুক্তভোগি ও স্থানিয়রা বালুমহালে বাধাঁ দিলে মহালের সাথে জড়িতদের গুলিতে আহত হয়েছেন অর্ধ শত। এতে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
জানা যায়, রবিবরা সকাল (২২ ফেব্রুয়ারি) আনুমানিক ৯ টার দিকে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং চরে এ ঘটনাটি ঘটে। স্থানিয়রা বালু মহালে বাধাঁ দিলে মহালের লোকজন স্পিড করে এসে স্থানিয়দের উপর এলোপাতারি গুলি বর্ষণ করে। এ সময় গুরুতর আহতদের নৌ পথে স্থানিয় উপজেলা স্ব্যাস্থ কমপ্লেক্সে এনে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। আশংকাজনকদের অন্যত্র রেফার করা হয়েছে। গুরুতর আহতরা হলেন রুপ মিয়া, ইব্রাহিম, ছেলে নুরুন্নবী, জসিম, সিয়াম, আলী হোসেন, শাখাওয়াত হোসেন।
আরো জানা যায়, মেসার্স সামিউল ট্রেডার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট স্থানে ড্রেজিংয়ের কথা থাকলে কয়েক বছর যাবৎ গ্রামের চরের মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এতে বিলিনের পথে মেঘনার তীরবর্তী চরলাপাং, চিত্রী, দড়িলাপাং, নরসিংহপুর, নবীপুর, শান্তিপুর, মির্জাচরসহ একাধিক গ্রাম।
ঘটনার খবর স্থানিয় উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যেই কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সদ্য নির্বাচিত সংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুল মান্নান বলেন, বালু মহলের সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। স্থানিয় প্রশাসনকে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।







