
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কে আটকে থেকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও পরিবহন চালকরা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল থেকে মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্তও যানজট পুরোপুরি কাটেনি।
সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত এবং চট্টগ্রামমুখী লেনে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে আলেখারচর বিশ্বরোড পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে। কিছু সময় যানবাহন এগোলেও আবার দীর্ঘ সময় স্থির হয়ে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় মহাসড়কের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়। ওই অংশে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সংস্কারকাজ চলায় যানবাহনের গতি কমে গিয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
যানজটে আটকে থাকা যাত্রী মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, “দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বাসে উঠে একই জেলায় বসে আছি। পরিবারের সদস্যরা গন্তব্যে পৌঁছানোর অপেক্ষায় থাকলেও আমরা সময়মতো যেতে পারছি না। এমন পরিস্থিতিতে আগে থেকেই বিকল্প ব্যবস্থা বা সতর্কবার্তা থাকলে ভোগান্তি অনেকটাই কমানো যেত।”
ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের চালক আবদুল কাদের বলেন, “সংস্কারকাজ প্রয়োজন, তবে ব্যস্ত মহাসড়কে কাজের সময় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা দরকার। দীর্ঘ যানজটে যাত্রীদের পাশাপাশি চালকদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।”
তবে এ বিষয়ে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।










