শুক্রবার ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ট্রাভেল পাস হাতে পেয়েছেন তারেক রহমান

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

ট্রাভেল পাস হাতে পেয়েছেন তারেক রহমান/ছবি: সংগৃহীত/কোলাজ রাইজিং কুমিল্লা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত দেশে ফেরার পথ সুগম হয়েছে। দীর্ঘদিন লন্ডনে অবস্থানের পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশে ফিরছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে তিনি ট্রাভেল পাসের জন্য আবেদন করেন। পরদিন শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার কন্যা জাইমা রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জাইমা রহমান তার পোস্টে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বাবা কিছুক্ষণ আগে ট্রাভেল ডকুমেন্ট গ্রহণ করেছেন।’

তারেক রহমান ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান। দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পর তার দেশে প্রত্যাবর্তন হতে যাচ্ছে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব আব্দুস সাত্তার জানান, তারেক রহমান তার কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে ঢাকায় পৌঁছাবেন। আগামী ২৫ ডিসেম্বর বেলা ১১টার পর তার ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

তিনি আরও জানান, বিমানবন্দর থেকে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। বিশেষ করে ২৩ নভেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন ও তার মা বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়ার পর, তারেক রহমান নিজেই জানান—দেশে ফেরা কোনো একক সিদ্ধান্ত নয়।

এরপর ১২ ডিসেম্বর বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয় যে, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন।

তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে বিএনপির পক্ষ থেকে একটি অভ্যর্থনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইতোমধ্যে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অভ্যর্থনার স্থান নির্ধারণে যাচাই-বাছাই চলছে।

এদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে ঐতিহাসিক জনসমাগমের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তারেক রহমান প্রায় ১৮ মাস কারাভোগ করেন।
২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে চলে যান এবং সেখানেই দীর্ঘদিন অবস্থান করেন।

আরও পড়ুন