
চাঁদপুরে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে হাম আক্রান্ত হয়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া জেলায় অন্তত ২৩ শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকালে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন নূরে আলম দ্বীন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে জেলার হাসপাতালগুলোকে বাড়তি প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
সিভিল সার্জনের পরিসংখ্যান বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে ১৭ শিশু, হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ শিশু এবং মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আরও ৩ শিশুসহ মোট ২৩ শিশু হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছে।
চাঁদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, জ্বর, সর্দি ও কাশিসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই শিশুদের হাসপাতালে আনা হচ্ছে। হামে আক্রান্ত শিশুদের লক্ষণ শনাক্তের পর তাদের আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।
হাসপাতালের চিকিৎসক সৈয়দ আহমেদ কাজল জানান, হামে আক্রান্ত শিশুদের সাধারণত চোখ লাল হয়ে যায়, উচ্চমাত্রার জ্বর থাকে, কাশি দেখা দেয় এবং শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা যায়। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে ধৈর্যসহকারে শিশুদের সেবা করার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, জেলায় হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আক্রান্ত শিশুদের পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।










