জুন ১৬, ২০২৪

রবিবার ১৬ জুন, ২০২৪

ঘুমাতে ডিস্টার্ব করায় বাড়িওয়ালাকে হত্যা করলেন মোরশেদ!

Morshed killed the landlord for disturbing sleep!
ছবি : সংগৃহীত

রনি হত্যা মামলার আসামি প্রধান আসামি মোরশেদ আহম্মেদ (৩৭) কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গতকাল শনিবার (২৫ মে) জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার চর ভাটিয়ালি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে মোরশেদের দাবি, তাকে ঘুমাতে সমস্যা করেছিলেন বাড়ির মালিক। ফলে তিনি ক্ষুদ্ধ হয়ে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন।

গ্রেপ্তারকৃত মোরশেদ জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার চর ভাটিয়ালি গ্রামের মৃত শহীদ আহম্মেদের ছেলে।

রোববার (২৬ মে) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তেজগাঁও বিভাগের ডিসি এইচ এম আজিমুল হক।

এই কর্মকর্তা জানান, মোরশেদ যে বাসায় ভাড়া থাকেন রনি সেই বাসার মালিক। রনি এবং তার বন্ধুদের যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারতেন না মোরশেদ। তাকে যে কক্ষ ভাড়া দেওয়া হয় সেই কক্ষেই রনি ও তার বন্ধুরা তাস খেলতেন, মাদক সেবন করতেন। তাদের এই খেলার জন্য মোরশেদকে প্রায়ই দেরিতে ঘুমাতে হতো। এটা নিয়ে তাদের মধ্যে বেশ কয়েকবার বাকবিতণ্ডাও হয়।

মোরশেদের বরাত দিয়ে আজিমুল হক জানান, গত ২৫ মে রাতেও সেই কক্ষে রনি তার বন্ধু মশিউর, বায়েজিদুল ইসলাম, একিন, অবিতকে নিয়ে খেলছিলেন। পরে মোরশেদ আসার পর তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে মোরশেদ ছুরি দিয়ে রনিকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন।

এসময় রনির বন্ধুরা চিৎকার করলে রনির ভাই রফিক ছুটে আসেন। তিনি বাধা দিতে চাইলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান মোরশেদ। পরে গুরুতর আহতাবস্থায় রনি ও রফিককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রনিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পরপরই জামালপুর পালিয়ে যান মোরশেদ। পরে পুলিশ কৃষকের ছদ্মবেশে গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

তেজগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, মোরশেদ ঢাকায় থেকে পাঠাও চালাতেন। তিনি রনির বাসায় ভাড়া থাকতেন। সারাদিন পরিশ্রম করে ফিরে বাসায় ঘুমাতে পারতেন না। ফলে ক্ষুব্ধ ছিলেন রনির প্রতি। এটা নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে তর্ক হতো। শেষ পর্যন্ত তিনি বাড়িওয়ালাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন।