সোমবার ১৭ আগস্ট, ২০২৬

কুমিল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

রাইজিং কুমিল্লা ডেস্ক

কুমিল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার
কুমিল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার/ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম, একটি পিকআপ ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) , গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১৭ আগস্ট দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়কের সদর দক্ষিণ থানার লালমাই বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডিবির একটি বিশেষ দল।

পুলিশের দাবি, ডাকাতির প্রস্তুতিকালে একটি পিকআপ থেকে দুইজনকে আটক করা হয়। এ সময় গ্রেপ্তার এড়াতে মোটরসাইকেলে পালানোর চেষ্টা করলে আরও তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—চাঁদপুরের সদর উপজেলার জহিরুল ইসলাম প্রধানিয়া ফারুক (৫৩), হাজীগঞ্জের মামুন মিজী (৪৫), ফরিদগঞ্জের কবির ভূইয়া (৪০), চাঁদপুর সদর উপজেলার রবিউল আলম (৩৫) এবং ফরিদগঞ্জের নজরুল ইসলাম (৩৫)।

ডিবি পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানান, তারা ওই রাতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় একত্রিত হয়ে কুমিল্লা-চাঁদপুর মহাসড়কের পরানপুর বাজার এলাকায় ডাকাতির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ লালমাই বাজার এলাকায় অবস্থান নিয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটার আগেই তাদের আটক করে।

পুলিশ আরও জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে ডিবি।

অভিযানে একটি লোহার বোল্ট কাটার, একটি সেলাই রেঞ্চ, একটি প্লাস, একটি লোহার রড, দুটি কাঠের বাটযুক্ত কিরিজ, একটি কাঠের বাটযুক্ত হাসুয়া, একটি কালো রঙের কাপড়ের ব্যাগ, একটি নীল রঙের পিকআপ এবং একটি কালো রঙের ডিসকভার মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়ার আগে তারা আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

আরও পড়ুন